এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মমতাকে বড় ধাক্কা দিয়ে মোদীর হাত ধরলেন মহাজোটের শরিক হতে চাওয়া অন্যতম দল

মমতাকে বড় ধাক্কা দিয়ে মোদীর হাত ধরলেন মহাজোটের শরিক হতে চাওয়া অন্যতম দল

লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই সমীকরণ কিন্তু বদলাচ্ছে। আর এদিনের এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে তা আরো স্পষ্ট হয়ে গেল। আজকের এই পরিস্থিতির পর কে কাকে সমর্থন করছেন, আর কে, কাকে সমর্থন করছেন না- তা নিয়েও কিন্তু বিস্তর জল ঘোলা হতে শুরু করে দিল রাজনৈতিকমহলে।

কলকাতার একটি সংবাদপত্রে খবর অনুযায়ী তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী তথা রাষ্ট্রের প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাও বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে 2019 এ জোট প্রায় পাকা করে ফেললেন। প্রসঙ্গত তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও কয়েকদিন আগে পর্যন্ত বিজেপি বিরোধী ছিলেন। এমনকি কয়েক মাস আগেও কলকাতায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করে যান এবং বিজেপি বিরোধী জোট নিয়েও তাঁদের মধ্যে বহু কথা হয়।

কিন্তু ইতিমধ্যেই গত মাসে বিজেপির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনলে সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমর্থন করলেও ভোট দানে বিরত থাকেন ও সংসদ ত্যাগ করেন টিআরএস সাংসদরা। এমনকি টিডিপিকে চাপে ফেলতে এই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রশংসা করেন তেলেঙ্গানার উন্নয়নের। ফলে মনে করা হচ্ছে তার প্রভাব হতে পারে এই জোট। প্রসঙ্গত গত জুনমাসেই চন্দ্রশেখর রাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন একগুচ্ছ দাবি দাওয়া নিয়ে আর এবার আবার দুই শীর্ষ নেতার এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছিল রাজনৈতিক মহলে।

এবারেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও অনেক কিছু দাবি-দাওয়া করেছেন চন্দ্রশেখর রাও এবং তারপরেই এই বৈঠক জোর্টের দোরগোড়া পর্যন্ত পৌঁছায়। জোটের 2019 এর ভোটে সমর্থনের কত জানান চাদরাসাখার রাও। জানা যাচ্ছে চন্দ্রশেখর রাও ভোটের পরে বিজেপিকে সমর্থনের কথা জানান। ভোটের আগে কেন জানানো হচ্ছে না তার কারণ এখন এনডিএ-তে যুক্ত হলে হয়তো তাঁদের রাজনৈতিকভাবে ক্ষতি হতে পারে। সেই কারণেই তাঁরা ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপিকে সমর্থন করবে এমনটাই জানা গেছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

তবে কি কারণে চন্দ্রশেখর রাও-এর এমন পরিবর্তন তা নিয়ে কিন্তু রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে কংগ্রেসের মহাজোটে থাকার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে সবকিছু এখন বিশ্লেষণে নেমেছেন রাজনৈতিক মহল। যদিও একটা ব্যাপারে রাজনৈতিকমহল একমত যে এর ফলে মুখ্যমন্ত্রীর মহাজোট কিছুটা হলেও ধাক্কা খেলো। কেননা একপ্রকার প্রায় মহাজোটে সঙ্গে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীকে এমনটা পাকা কথাই দিয়েছিলেন চন্দ্রশেখর রাও।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!