এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > .মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পদে কড়া টক্কর দিচ্ছেন আর এক নেত্রী

.মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পদে কড়া টক্কর দিচ্ছেন আর এক নেত্রী

আগামী লোকসভা নির্বাচনে এখন প্রধানমন্ত্রী পদে আর একজন দাবিদার  যুক্ত হলেন । অপর এক নেত্রী। বহুজন সমাজ পার্টির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে শুধু মাত্র তিনি একজন বিদেশিনী গর্ভজাত সন্তান বলেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার হতে পারেন না। পরিবর্তে বসপা দলের পক্ষ থেকে দলের সুপ্রিমো মায়াবতীকে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসেবে সামনে রেখে নির্বাচিনী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার ক্ষেত্রে বিশেষ আগ্রহ দেখানো হচ্ছে।

লোকসভা নির্বাচনের এখনও বেশ কয়েক মাস বাকি আছে ঠিকই কিন্তু অলিখিত ভাবেই গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে নির্বাচনী প্রচার কাজ শুরু করা হয়েছে। গত নির্বাচনের মতোই এবারেও প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদী কে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার কার্য শুরু করতে চলেছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, সারা দেশের আঞ্চলিক দলগুলির সমন্বয়ে বিজেপি বিরোধী জোট গঠন নিয়ে নানা আলাপ আলোচনা হলেও এখনও অবধি সেই পরিকল্পনার কোনো ইতিবাচক বাস্তবায়ন হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের নানা কর্মী সভা এবং দলীয় প্রচার সভায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যখন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন ঠিক তখনই বিএসপির তরফে মায়াবতীকেও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরার কথা জানিয়ে দেওয়া হল।

এদিন লোকসভা নির্বাচনের জন্য দলের কর্মপন্থা ঠিক করার জন্যে আয়োজিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএসপির ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর বীর সিং এবং জয় প্রকাশ সিং। তাঁরা বলেন, মায়াবতীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী বানানোর এটাই উপযুক্ত সময়। তিনিই একমাত্র বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টক্কর দিতে পারেন। জয়প্রকাশ সিং নিজের মতামত জানিয়ে বললেন , “কর্ণাটকে এইচডি কুমারস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রী বানাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন মায়াবতী। তাঁর মতো ভয়হীন নেত্রীই নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহদের রথ আটকাতে পারবেন। বিএসপির এই নেতা আরও বলেন, মায়াবতী শুধুমাত্র দলিত নেত্রীই নন, তিনি সব সম্প্রদায়ের কাছেই গ্রহণযোগ্য।”

অন্যদিকে কংগ্রেস দলের প্রধানমন্ত্রী পদ প্রার্থী রাহুল গান্ধী প্রসঙ্গে এই বিএসপি নেতা বলেন, “রাহুলকে বাবার থেকে মায়ের মতো দেখতে। তাঁর মা বিদেশিনী। সেইজন্য তিনি কখনই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। একইসঙ্গে এই নেতার দাবি, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুল গান্ধীর থেকে তাদের দলের নেত্রীর গ্রহণযোগ্যতাও অনেক বেশি। কেননা মায়াবতী একেবারে নিচের থেকে উঠে এসেছেন। ” বিসপি দলেরই অপর নেতা আরএস কুশওহা বলেন, এইচডি কুমারস্বামীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেই বিরোধী সবদলই মায়াবতীর পিছনে দাঁড়িয়েছিল। যা তখনই বলে দিয়েছে, মোদী বিরোধী জোটগঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে চলেছেন মায়াবতী। যদিও এত কিছুর পরেও কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে এখনও অবধি কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। অবশ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজেপি নেতা বললেন, “এক পদ। কিন্তু বিরোধীদের মধ্যে তার দাবিদার অনেক। আর তাদের দলে দাবিদার একজনই। নরেন্দ্র মোদী।”

বিজেপিকে হঠাতে বৃহত্তর জোটের কথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তারপর কংগ্রেসের এবং কুমার স্বামীর জোট সরকার গড়ার বড় ভূমিকা রয়েছে তাঁর। অনেক দলই তাকে সমর্থন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে। মনে করা হয়েছিল বৃহত্তর জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী তিনি একই হতে যাচ্ছেন কিন্তু এদিন বসপা নেত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর পদে অনেকটা এগিয়ে রেখে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সামনে কড়া প্রতিযোগিতা খাড়া করলেন বসপা নেত্রী এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

Top
error: Content is protected !!