এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি বিরোধীতায় তিনি কতটা অপরিহার্য প্রমান করলেন মমতা ব্যানার্জী

জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি বিরোধীতায় তিনি কতটা অপরিহার্য প্রমান করলেন মমতা ব্যানার্জী

সম্প্রতি নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে উড়ে গিয়েছিলেন বঙ্গের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে চন্দ্রবাবু নাইডু,কুমারস্বামী এবং বিজয়নের মতো বিজেপি বিরোধী তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেন। কংগ্রেস সাংসদ আহমেদ প্যাটেলের সঙ্গে এক দফা আলোচনা হয় তাঁর। এই বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচন। জানা যাচ্ছে এই বৈঠকে কংগ্রেস সুপ্রিমো রাহুল গান্ধীর বার্তা পৌছে দেন আহমেদ প্যাটেল। আসলে বঙ্গের নেত্রী এই মুহূর্তে বিজেপি বিরোধী জোটের প্রধান মুখ হিসাবে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছেন বিজেপির প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেস সহ অন্যান্য রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোও। তাই বঙ্গের নেত্রীর কাছ থেকে গুরুদক্ষিণা নেওয়ারই অনুরোধ বার্তা পাঠিয়েছিলেন খোদ জাতীয় কংগ্রেসের মুখপাত্র রাহুল গান্ধী। আর এই অনুরোধ সাদরে গ্রহণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বর্তমানে বিজেপি বিরোধী সব আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলছেন। নেত্রীর এই রণনীতিকেই ভরসা করে কেন্দ্র থেকে বিজেপি হটাতে মরিয়া কংগ্রেস সুপ্রিমো। কারণ রাহুল গান্ধী জানেন দেশের শীর্ষ ক্ষমতা থেকে গেরুয়া ঝান্ডা হঠাতে গেলে মহাজোট গঠন করেই লড়তে হবে। তাই তিনি কংগ্রেসের স্বার্থের বলি দিয়েও আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছেন। প্রসঙ্গত এমন অনেক দলই আছে যারা কংগ্রেস এবং বিজেপিকে সমান ভাবে অপছন্দ করে। এই তালিকায় রয়েছে ওড়িষার বিজেডি,তেলেঙ্গনার টিআরএস এবং অন্ধ্রপ্রদেশের টিডিপি। কেন্দ্র থেকে পদ্ম ফুল সরাতে গেলে দরকার এদের সবার সঙ্গে সমঝোতা। ওদিকে বিজেডির নবীন পট্টনায়ক,টিআরএসের কে চন্দ্রশেখর রাও এবং টিডিপির চন্দ্রবাবু নাইডুর এছাড়াও আম আদমি পার্টির সঙ্গে বিশেষ সখ্যতা রয়েছে বঙ্গের নেত্রীর। সেই কারণেই বিজেপি বিরোধী জোট গঠনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যদি কেন্দ্রে রাখা যায় তাহলে সুফল পেতে পারে কংগ্রেসও।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

উল্লেখ্য, বিজেপি বিরোধী বাঘা বাঘা নেতৃত্বদের আবারও এক ময়দানে এনে বিজেপিশিবিরের ভীত নড়াতে চাইছেন কংগ্রেস সুপ্রিমো। প্রয়োজনে ৫১ জন সাংসদ থাকা সত্ত্বেও রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান পদটিও তৃণমূলকে ছাড়তে রাজি জাতীয় হাতপার্টি। এই রাজসভায় ডেপুটি চেয়ারম্যান নিয়োগের মাধ্যমেই বিরোধী জোট গঠনের দামামা বাজালেন কেন্দ্রীয় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। আর এই উদ্যোগকেই সফল করতে বঙ্গের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পথ দেখানোর আর্জি জানান তিনি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!