এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > মালদহ নিয়ে আরও অশান্তি বাড়ছে তৃণমূলের সংসারে – জানুন বিস্তারিত

মালদহ নিয়ে আরও অশান্তি বাড়ছে তৃণমূলের সংসারে – জানুন বিস্তারিত

অশান্তি যেন কিছুতেই থামতে চাইছে না মালদহে। এবার তৃণমূল পরিচালিত পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষকে অপসারণ করতে না পারায় বিদ্রোহী কাউন্সিলারদের মধ্যে প্রবল কোন্দল শুরু হয়েছে। জানা গেছে, অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার করার নির্দেশ বিদ্রোহী কাউন্সিলারদের একাংশ মানতেই চাইছেন না। ফলে একে অপরের উপর দোষারোপের পালা শুরু হয়ে গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, ইংলিশবাজার পুরসভার ঘটনার পরই আবেগে পড়ে এই পুরাতন মালদহ পৌরসভার কাউন্সিলাররা তড়িঘড়ি পুরাতন মালদহে অনাস্থা এনেছে। পরবর্তীতে বাসিন্দাদের একাংশ বিদ্রোহী কাউন্সিলরদের অনাস্থার পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা শুরু করায় বিদ্রোহী কাউন্সিলারদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

এদিন এই এবিষয়ে পুরাতন মালদহ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার নৃপেন পাল বলেন, “কাউন্সিলারদের ঐকমত্যের অভাবে আমরা চেয়ারম্যানকে পরাস্ত করতে পারেনি এটা বাস্তব। কিছু কাউন্সিলার প্রলোভনে পড়ে আমাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করেছেন। অনাস্থা নিয়ে যারা উৎসাহী ছিলেন তাঁরাই উদ্যোগী হয়ে অনাস্থা প্রস্তাবে পিছু হটে যান। আমি বরাবরই চেয়ারম্যানের বিরোধিতা করে আসায় এক নম্বরে সই করেছিলাম। আমি নিজের অবস্থানেই রয়েছি। কারও প্রলোভনে পড়িনি।”

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে এই পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্রোহী কাউন্সিলার সফিকুল ইসলাম (নেপু) বলেন, “আমরা কেউ কাউকে ধরতে যাইনি। কেউ কাউকে সই করাতে যাইনি। নিজেরাই অনাস্থা প্রস্তাব করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে কে কী করেছে বলতে পারব না। তবে খুব তাড়াতাড়ি ভালো সংবাদ আসবে এতটুকু বলতে পারি।”

এদিকে এই পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার পরিতোষ ঘোষ বলেন, “দোষারোপ করে লাভ নেই। পরিস্থিতি বেগতিক ছিল বুঝে প্রথমে সরে দাঁড়িয়েছি। কেননা আমরা ফাঁদে পড়তে চাইনি। মানুষের স্বার্থে কাউন্সিলার হয়েছি। সেখানে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কূটনীতি করে কোনও এক নেতা ফায়দা লুটবে সেটা মেনে নিতে পারিনি। নিজের অর্থ খরচ করে মানুষের সহায়তা করি। আমি যদি প্রলোভনে পড়ি সেটা মানুষই বলবে।”

অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে অনাস্থার ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ। তিনি বলেন, “কাউন্সিলাররা যেটা ভালো বুঝেছেন সেটা করেছেন। এখানে নতুন করে আমার বলার কিছু নেই। এখন সব মিটে গিয়েছে। আমরা এক পরিবারে রয়েছি। আমার একটাই লক্ষ্য সকলকে সঙ্গে নিয়ে পুরসভার উন্নয়ন।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমে এই পৌরসভায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলীয় কাউন্সিলররা অনাস্থা আনলেও পরে দলের নির্দেশে সেখানে জটিলতা কাটলেও পুরাতন মালদহ পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাউন্সিলরদের অনাস্থা যে এখনও কাটার মত আটকে রয়েছে তৃনমূলের গলায়, তা এই ঘটনা থেকেই পরিষ্কার বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -
Top