এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদহ জেলা পরিষদের বাকি আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হতে প্রবল ‘ইঁদুর-দৌড়’ শুরু

মালদহ জেলা পরিষদের বাকি আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হতে প্রবল ‘ইঁদুর-দৌড়’ শুরু

মালদহ জেলা পরিষদের সব আসনে নির্বাচন হলেও নির্বাচন না হওয়া একমাত্র আসনের প্রার্থীপদ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দলের অন্দরে জোর বিতন্ডা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য জেলা পরিষদের গাজোলের আসনটিতে ঝাড়খণ্ড দিশম পার্টির প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেছিলো। ঐ আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী থাকলেও জেলা পরিষদের বিপুল জয়ের পরে ঐ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্যে দলের অন্দরে সদস্যদের তোষামোদের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে এবারের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের একাংশ সহ জেলার একাধিক নেত্রী ওই আসনে প্রার্থী হতে চাইছেন। প্রসঙ্গত জেলা পরিষদের সকলের কাঙ্খিত এই আসনটি আদতে মহিলা সংরক্ষিত ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

জেলা পরিষদের একটি আসনকে কেন্দ্র করে দলের অন্দরে এই স্নায়ুর লড়াইয়ের প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের মালদহ জেলা কার্যকরী সভাপতি দুলাল সরকার (বাবলা) বললেন, “তৃণমূল সংগঠিত সুশৃঙ্খল একটি দল। দলে প্রার্থীপদ নিয়ে কোনও উমেদারির বিষয় নেই। ওখানে একজন ঘোষিত প্রার্থী আছেন। কোথাও যদি কৌশল পরিবর্তন হয় তা দল সিদ্ধান্ত নেবে। কে কী ইচ্ছা প্রকাশ করছেন তা তাঁর নিজস্ব ভাবনা হতে পারে, দলের ভাবনা নয়। শাসক দল হিসাবে তৃণমূল দায়িত্বশীল কাজই করবে।” জানা যাচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালদহের গাজোলের একটি আসনে জেলার নির্মল বাংলা মিশনের অন্যতম প্রতিভূ ঝর্ণা সরকারকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছিল। গাজোলের রানিগঞ্জ-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন ঝর্ণাদেবী। কিন্তু আকষ্মিক ভাবেই নির্বাচনের আগের দিন ওই আসনে ঝাড়খণ্ড দিসম পার্টির মহিলা প্রার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সেই কারণে নির্বাচনের প্রস্তাবিত দিনে জেলা নির্বাচন কমিশন ঐ আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেয়। এই বছরের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলার ৩৮টির মধ্যে ৩৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হয়েছিলো। উল্লেখ্য এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এককভাবে ২৯টি, বিজেপি ছ’টি ও কংগ্রেস দু’টি আসনে বিজয়ী হয়। অবশিষ্ট একটি আসনকে কেন্দ্র করেই দলের অন্দরে এখন জোড় তরজা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!