এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > মালদহে কোনও বিজেপি কর্মী সমর্থককে খুঁজে পাওয়া যাবে না: শুভেন্দু অধিকারী

মালদহে কোনও বিজেপি কর্মী সমর্থককে খুঁজে পাওয়া যাবে না: শুভেন্দু অধিকারী

লোকসভা ভোটের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে বিজেপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার কোনো সুযোগই হাতছাড়া করতে চাইছে না শাসকদল। সে আগেও যেমন বুঝিয়েছে,সে পন্থা মেনে আগামীতেও চলবে বলেই জনসভার মঞ্চ থেকে একের পর এক বার্তা দিচ্ছেন শাসকদলের হেভিওয়েটরা। ১৯’ এর নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে বিজেপি উৎখাত করার পাশাপাশি রাজ্যেও যে একটাও পদ্ম ফুটতে দেবে না তৃণমূল সেকথাও বহুবার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন বর্তমান নবান্ন কর্তারা। শুধু জানানোই নয়,খোলাখুলি চ্যালেঞ্জও ছোঁড়া হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে রাজ্য বিজেপির দিকে।

লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ যতোই এগিয়ে আসছে ততোই যেন আরো বেশি করে বিজেপির প্রতি মারমুখী হয়ে উঠছে শাসকদল। এদিন মালদহের হবিবপুরের বুলবুলচন্ডীতে সভা করে জেলা বিজেপি কর্মী সমর্থকদের হুঁসিয়ারী দিলেন জেলার দলীয় পর্যবেক্ষক ও পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বললেন,মালদহে কোনো বিজেপি কর্মী সমর্থকদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। তৃণমূলের উন্নয়নেরই সঙ্গী হতে চায় সবাই। রাজ্যবিজেপিকে ‘পরিযায়ী পাখী’র সঙ্গে তুলনা করে বললেন, রাজ্যে বিজেপির পায়ের তলার মাটি কোনোদিনই শক্ত হবে না। কারণ বাংলা সম্পর্কে বিজেপির কোনো ধারনাই নেই।

এদিনের কর্মীসভায় শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলার কার্যকরী সভাপতি দুলাল সরকার, জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল সহ জেলা নেতৃত্বরা। মঞ্চ থেকে বিজেপিকে আক্রমনের পাশাপাশি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এড়াতেও দলীয় কর্মীদের কড়া বার্তা দিলেন তিনি। ধমক দিয়ে বললেন আগামী এক মাসের মধ্যে দলীয় কোন্দল না মেটালে ব্লক কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্রের খবর থেকে জানা গিয়েছে, গত বিধানসভা ভোটে তৃণমূলে ফল অত্যন্ত খারাপ হলেও হাবিবপুরে তৃনমূলের জয়জয়কার ছিল। আর দু বছরের ফেরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ছবিটাই পাল্টে গেল পুরো। গোটা রাজ্যে যেখানে ঝান্ডা উঠছে জোড়া ফুলের,সেখানে হাবিবপুরে ভরাডুবি তৃণমূল। দুটি জেলা পরিষদ আসনেই হার হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর৷ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তৃণমূলকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে বিজেপি। আর এটাই ক্ষোভের কারণ তৃণমূলের।

এদিনের জনসভা থেকেই জেলা তথা রাজ্য থেকে বিজেপি হটানোর হুঁসিয়ারী দিলেন জেলা তৃণমূল পর্যবেক্ষক। পাশাপাশি এটাও দাবী করলেন ১৯ এর লোকসভা ভোটে মালদহের দুটি আসন থেকেই ৫৫% এর উপর ভোট পাবে তৃণমূল।

উল্লেখ্যে,হাবিবপুরের তৃণমূলের এতো খারাপ ফলের কারণ হিসাবে প্রকাশ্যে এসেছে এলাকারই দুই নেতা উজ্জ্বল মিশ্র এবং প্রভাস চৌধুরীর ঠান্ডা লড়াই। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের যাতে তৃণমূলের পরাজয়ের কারণ না হয়,তার জন্য আগে থেকেই এদিন কর্মীসভায় সাবধান করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের সভায় এদিনের কর্মী সভায় প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তপন শিকদারের ভাইপো সৌমেন শিকদার বিজেপি ছেড়ে জোড়া ফুলের পতাকা তুলে নেন শুভেন্দু বাবুর হাত থেকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন বিজেপি সমর্থক।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সকলকেই তৃনমূলে স্বাগত জানান শুভেন্দু বাবু। সদ্য তৃণমূলে যোগদানের পর সৌমেন শিকদার জানান, উন্নয়নের স্বার্থেই তৃণমূলে এসেছেন তিনি। জনস্বার্থমূলক কার্মসূচিতে বিজেপির ভূমিকা শূন্য। একথা বলার পর তৃণমূলের উন্নয়নমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কাজে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন এমনটাই বক্তব্য তাঁর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!