এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিধানসভার আগেই হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতার পুত্র বিজেপিতে, দূরত্ব বাড়াচ্ছেন অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও

বিধানসভার আগেই হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতার পুত্র বিজেপিতে, দূরত্ব বাড়াচ্ছেন অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও

সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না কংগ্রেসের। 2014 সাল থেকে যে হারের পরম্পরা শুরু হয়েছে, তা 2019 সাল পর্যন্ত একইভাবে অব্যাহত রয়েছে। মাঝে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্রিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচনে জয় হলেও তা থমকে যায় 2019 সালের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে। যেখানে দেশবাসী ভাবছিল, এবারের লোকসভা নির্বাচনে মোটামুটি বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে কংগ্রেস, সেখানে নরেন্দ্র মোদির বিজয় যাত্রাকে বিন্দুমাত্র বাধা দিতে পারেনি কংগ্রেস।

গতবারের থেকেও বেশি আসন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তারপরেই এই পরাজয়ের দায় মাথায় নিয়ে কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন রাহুল গান্ধী। বস্তুত, উত্তরপ্রদেশের আমেঠি আসন থেকে বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানির কাছে পরাজিত হন কংগ্রেস সভাপতি। যার কারণেই নিজের পদত্যাগের বিষয়ে অনড় থাকেন রাহুল গান্ধী। পরবর্তীতে কংগ্রেস সভাপতি কে হবেন! তাই নিয়ে রীতিমতো অস্বস্তি তৈরি হয়। তবে সোনিয়া গান্ধীকেই ফের কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

কিন্তু বর্তমানে ভারতের দুইটি বড় রাজ্য হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান রাজনীতির প্রেক্ষিতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে বিজেপির সঙ্গে সম্মানজনক লড়াইয়ে টিকে থাকতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু নিজেদের দলের অন্তর্বর্তী কোন্দলে হালে পানি পাচ্ছে না জাতীয় কংগ্রেস। মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা সঞ্জয় নিরুপম ইতিমধ্যেই দলের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছেন। যার কারণে রাজনৈতিক মহলের মনে তার কংগ্রেস ত্যাগ নিয়ে জল্পনা দানা বাঁধছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এর আগে কংগ্রেসের মহারাষ্ট্র প্রদেশ সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় সঞ্জয়কে। তার জায়গায় নতুন সভাপতি হিসেবে মিলিন্দ দেওড়াকে স্থলাভিষিক্ত করে জাতীয় কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের ফলে মহারাষ্ট্রে দলের ক্ষতি হয়েছে বলেও মনে করেছেন একাধিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু তখনও সঞ্জয় নিরুপম দলের বিরুদ্ধে ততটা বিদ্রোহ ঘোষণা করেননি। কিন্তু এবার মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে নিজের দল জাতীয় কংগ্রেসকে রীতিমতো প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করতে থাকেন প্রবাদপ্রতিম এই কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় নিরুপম।

তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে, আমাকে কংগ্রেসের আর দরকার নেই।” কার্যত টুইটের মাধ্যমে নিজের হতাশা প্রকাশ করে মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি জানান, “মাত্র একটি নাম সুপারিশ করেছিলাম বিধানসভা প্রার্থী পদের জন্য। শুনছি তা খারিজ হয়েছে। নেতৃত্বকে আগেই জানিয়েছিলাম, যদি এমনটা হয় তাহলে দলের প্রচারে থাকব না। এটাই আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আমরা যারা দিনরাত এক করে খাটছি, তাদের বদলে অদক্ষদের গুরুত্ব দিচ্ছে নেতৃত্ব।” স্বাভাবিকভাবেই সঞ্জয় নিরুপমের এই মন্তব্য ঘিরে রীতিমতো সরগরম হয়ে উঠেছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি।

দোড়গোড়ায় বিধানসভা ভোট। যেখানে প্রায় সবকটি সমীক্ষাই বিজেপি-শিবসেনা জোটকে এগিয়ে রাখছে, সেখানে ভারতবর্ষের প্রধান বিরোধী দল নিজের অন্তর্কোন্দলে এমনভাবে জড়িত থাকলে বিজেপির পক্ষে ফাঁকা মাঠে গোল হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে সঞ্জয় নিরুপমের এই মন্তব্যের জেরে তার দল ছাড়ার জল্পনাও জোর দানা বাধতে শুরু করেছে জনমানসের মধ্যে। অপরদিকে কংগ্রেসের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নারায়ন রানের ছেলে নিতিশ রানে যোগ দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টিতে। যার জেরে গেরুয়া শিবিরে এখন আনন্দের ঝড়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!