এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মহারাষ্ট্র তুমি কার? ক্ষমতা ভাগাভাগি অংকে এখনও বিশবাঁও জলে সরকার গঠন!

মহারাষ্ট্র তুমি কার? ক্ষমতা ভাগাভাগি অংকে এখনও বিশবাঁও জলে সরকার গঠন!

নদীর স্রোতের মতো সময় প্রবহমান। কিন্তু রাজনীতিবিদেরা নাকি বেশিক্ষণ সময় নষ্ট করে না। তবে সরকার গঠন নিয়ে নেতাদের মধ্যে যেভাবে অধীর আগ্রহ অপেক্ষা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রবল জল্পনা তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্র। প্রথম থেকেই ঠিক ছিল, শিবসেনা- বিজেপি জোট মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করবে। কিন্তু মন্ত্রিত্বের ফিফটি-ফিফটি ফর্মুলায় শিবসেনার শর্ত মানতে পারেনি ভারতীয় জনতা পার্টি। যার ফলে শিবসেনার সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ক্রমশ দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছিল।

আর তারপরই এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা করে জোট গঠন করে এই মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করতে উদ্যোগী হয়েছিল শিবসেনা। তবে মহারাষ্ট্রে জোট গঠন নিয়ে রবিবারও তেমন কোনো সবুজ সংকেত পাওয়া গেল না। জানা গেছে, এদিন দয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং এনসিপির শরদ পাওয়ারের যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। যার ফলে জোট গঠনের কথা বললেও সবটাই এখনও আলোচনার স্তরেই রয়ে গিয়েছেন বলে মনে করছেন একাংশ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে শরদ পাওয়ারের বৈঠকের পরেই মহারাষ্ট্রে জোট এবং সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে মহারাষ্ট্রে যখন এরকম অচলাবস্থা শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন।

সংসদের অধিবেশন শুরু প্রথম দিনেই চিটফান্ড সংশোধনী বিল ওঠায় বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্নকারী শিবসেনা কি করবে, সেদিকেও নজর রয়েছে সকলের। তবে যেহেতু বিজেপির সঙ্গে তারা সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, শুধু সরকারপক্ষ নিজে থেকেই শিবসেনাকে বিরোধী আসনে বসাতে পারে বলে মনে করছে একাংশ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে সংসদবিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেন, “শিবসেনা এখন আর সরকারের সঙ্গে নেই। মন্ত্রী পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ওরা বিরোধী আসনে বসবেন।” এদিকে সরকারপক্ষ যদি শিবসেনাকে বিরোধী আসনে বসায়, তাহলে মূল বিরোধী দল কংগ্রেসের শক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে বলে হাত শিবির এখন খুশিতে ডগমগ।

কংগ্রেসের একাংশ বলছেন, কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদিকে বিভিন্ন ইস্যুতে চেপে ধরতে শিবসেনার মতো শক্তিশালী দলকে দরকার। আর তাই সেক্ষেত্রে বিজেপি নিজেই এই সুযোগ করে দেওয়ায় শিবসেনাকে পাশে পেয়ে কংগ্রেস প্রবল প্রতিবাদ করতে পারবে বলে দাবি বিশ্লেষকদের।

সব মিলিয়ে একদিকে বিজেপি শিবসেনাকে বিরোধী দল হিসেবে ধরে নিয়ে যখন এগোচ্ছে, ঠিক তখনই মহারাষ্ট্রের জলঘোলা পরিস্থিতি মেটাতে কংগ্রেস এনসিপি এবং শিবসেনা কি পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন সকলে। আর অন্যদিকে শীতকালীন অধিবেশনের প্রথমে শিবসেনা বিরোধী দল হিসেবে সংসদে প্রবেশ করায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আওয়াজ কতটা চওড়া হয়! সেদিকেও নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!