এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা চরমে, সরকার দখলে কে এগোবে?

মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা চরমে, সরকার দখলে কে এগোবে?


কোন দিকে গড়াবে মধ্যপ্রদেশের জল? কংগ্রেস ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে নাকি বিজেপি সরকার গঠন করবে? উত্তরটা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী সোমবার অর্থাৎ 16 ই মার্চ পর্যন্ত। 16 ই মার্চ বলার কারণ, ইতিমধ্যে মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথকে বিধানসভায় এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার জন্য। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার ধাক্কায় ইতিমধ্যে টলমল মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার। এখনই যদি আস্থা ভোট হয়, তাহলে কংগ্রেসের পক্ষে সরকার টিকিয়ে রাখাই দায় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

তবে সূত্রের খবর, এখনো পর্যন্ত কংগ্রেস দাবি জানিয়ে আসছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত বিধায়ক রয়েছে। অতএব বোঝাই যাচ্ছে মধ্যপ্রদেশের নাটকীয় পরিস্থিতি এবার আরো একটু উত্তেজনাময় হতে চলেছে। মনে করা হচ্ছে সোমবার আস্থাভোটের মধ্যে দিয়ে এবার মধ্যপ্রদেশের মসনদ দখলের লড়াই আরও জোরদার হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। ইতিমধ্যে মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন কংগ্রেস সরকারকে জানিয়েছেন, ‘আমি জানতে পেরেছি ২২ জন বিধায়ক মধ্যপ্রদেশের স্পিকারের কাছে ইস্তফা পত্র দিয়েছেন। .. আমি গোটা বিষয়টি মিডিয়ার মাধ্যমে দেখেছি’।

এরপরে তিনি জানান, পদত্যাগকারী বিধায়করাও তাঁর কাছে এ প্রসঙ্গে সমস্ত তথ্য জানিয়েছেন। আর তারপরই রাজ্যপালের নির্দেশ, আগামী 16 ই মার্চ সোমবার আস্থা ভোটের আয়োজন করতে হবে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায়। এ প্রসঙ্গে রাজ্যপাল নির্দেশ দিয়েছেন, আস্থা ভোটের সময় বিধানসভায় একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে পুরো বিষয়টি ভিডিও করে রাখতে হবে। প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকার নিয়ে চলছে টানাপোড়েন।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কমলনাথ সরকার এবং জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বিরোধিতার ফলে সম্প্রতি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে সরাসরি বিজেপিতে যোগদান করেছেন বলে জানা গেছে। তবে জ্যোতিরাদিত্য অনুগামী 22 জন বিধায়ক ইতিমধ্যে বিজেপিতে না গিয়ে নির্দল হিসাবে অপেক্ষা করছেন। সুতরাং এই পরিস্থিতিতে মধ্য প্রদেশ রাজ্য যে এক টানটান উত্তেজনাপূর্ণ আস্থা ভোট দেখতে চলেছে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আপাতত রাজ্য দখলের লড়াইয়ে কে এগিয়ে থাকবে কংগ্রেস না বিজেপি- সেই নিয়ে চলছে জোর তরজা রাজনৈতিক মহলে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রদেশের মসনদ দখল করার পথে কিছুটা হলেও এগিয়ে বিজেপি। অংকের হিসাব মেনে চললে এই মুহূর্তে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ সরকারের হাতে রয়েছেন 121 জন বিধায়ক। আর বিজেপির হাতে রয়েছে 107 জন বিধায়ক। কংগ্রেসের 22 জন বিধায়কের পদত্যাগপত্র যদি গৃহীত হয়, তাহলে মোট বিধায়ক এর সংখ্যা নেমে আসবে 206 তে। এই অবস্থায় বাজিমাত করার সমূহ সম্ভাবনা বিজেপির। আপাতত মধ্যপ্রদেশের নাটকের অন্তিম চরণ কার ভাগ্যে লেখা হয়, সেদিকে নজর রাখছে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!