এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > নির্বাচনের পর মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়ে মুখ খুলে জল্পনা বাড়ালেন মদন মিত্র

নির্বাচনের পর মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়ে মুখ খুলে জল্পনা বাড়ালেন মদন মিত্র

একসময়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা, রাজ্যের দাপুটে মন্ত্রী। কিন্তু তারপরেই একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে, যেতে হয়েছে জেলে। ফলে প্রথমে গেছে মন্ত্রীত্ত্ব, পরে হারিয়েছেন বিধায়ক পদ। আর তারপরেই দলে ক্রমশ কোনঠাসা, দলের ২১ শে জুলাইয়ের মূলমঞ্চে ওঠার সুযোগ জোটেনি, ফুটপাথে টুলে বসে দেখতে হয়েছে সেই অনুষ্ঠান। এমনকি একের পর এক উপনির্বাচন পেরিয়ে গেলেও ডাক পাননি প্রচারে। তিনি মদন মিত্র, কামারহাটি প্রাক্তন বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী। দলে রীতিমত কোনঠাসা হয়ে একসময় নিজেকে ‘লাস্টবয়’ বলেও অভিহিত করেছিলেন, কিন্তু তার সাথেই জানিয়েছিলেন কোনো পরিস্থিতিতেই দল ছাড়বেন না। তারপরেই সমীকরণটা বদলাতে শুরু করল মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতেই। প্রথমে তপসিয়ায় তৃণমূল ভবনে প্রাত্যহিক কাজ, আর এবারে একেবারে সরাসরি পঞ্চায়েতের প্রচারের দায়িত্বে।

যদিও দলের অন্যান্য নেতারা এতদিন মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমন শানালেও, তিনি মুকুল রায় নিয়ে কার্যত নীরবই ছিলেন। কিন্তু এবার কলকাতার প্রেসক্লাবে দাঁড়িয়ে বিজেপিনেতা মুকুল রায়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে জল্পনা বাড়ালেন মদন মিত্র। মদনবাবু বলেন, নির্বাচনের পর মুকুল রায়ের জায়গা হবে বারাকপুর আদালতে। এরপরে তিনি বিজেপিকেও তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, আমরা রাজ্যজুড়ে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের প্রোগ্রাম করছি। বিজেপিকেও বলছি সাবধানে গাড়ি চালান, দুর্ঘটনা এড়ান। না হলে আপনাদের গাড়িতে যে ক’জন উঠেছেন তাঁরাও মাঝ রাস্তায় নেমে যাবেন। প্রসঙ্গত, গতকালই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, একেবারে ১৭ টি মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ঘুটি সাজাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন, যার মধ্যে আছে প্রতারণা থেকে খুন – সব ধরনের মামলাই। ফলে মদনবাবুর, মুকুলবাবুর ‘আদালত-যাত্রা’ নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী যে তাতে নতুন মাত্রা যোগ করল বলায় বাহুল্য।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!