এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > লোকসভায় পিছিয়ে থাকলেও বুথস্তর থেকে সংগঠনকে ঝাঁকুনি দিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে আসরে হেভিওয়েট মন্ত্রী

লোকসভায় পিছিয়ে থাকলেও বুথস্তর থেকে সংগঠনকে ঝাঁকুনি দিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে আসরে হেভিওয়েট মন্ত্রী

লোকসভায় রাজ্যে তৃণমূলের ফলাফল ভালো হয়নি। যার মূল কারণ হিসেবে জনসংযোগের অভাব এবং দুর্নীতিকেই দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু লোকসভায় সেই খারাপ ফলাফলের পর বিভিন্ন জেলায় সংগঠনকে চাঙ্গা করতে নেতৃত্ব পরিবর্তন করে দক্ষ নেতাদের দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্বল জেলাগুলোর দায়িত্ব দলের নেতাদের দেওয়ার পরই সেই সমস্ত নেতারা সেই জেলাগুলিতে গিয়ে সংগঠন সাজাতে শুরু করেছেন। যেমন নদীয়া জেলা। এখানকার পর্যবেক্ষক হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। সবেমাত্র পুজোর মরসুম শেষ হয়েছে।

কিন্তু উৎসবের মরসুম শেষ হওয়ার সাথে সাথেই এবার সংগঠন নিয়ে সকলকে একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন সেই রাজীববাবু। বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে এনআরসি নিয়ে যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি কাটাতে সমস্ত জায়গায় মিছিল-মিটিং করে সকলকে সচেতন করা যায়, তার জন্য দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

বস্তুত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে নদীয়া জেলায় কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস জিতলেও এখানকার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে হার হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। পাশাপাশি রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল‌। যেখানে জয়লাভ করেছে বিজেপি প্রার্থী। অন্যদিকে নদীয়া জেলার সতেরোটি বিধানসভার মধ্যে ছটির বেশি বিধানসভা কেন্দ্রে লিড পায়নি তৃণমূল। আর তাই লোকসভা নির্বাচনে এই হারের পরই নদীয়া জেলায় সংগঠনকে চাঙ্গা করতে জেলা পর্যবেক্ষক হিসেবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে রাজ্যের জ্বলন্ত ইস্যু জাতীয় নাগরিক পঞ্জী। বিজেপির বিরুদ্ধে এই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সমস্ত নেতৃত্বরা পথে নামতে শুরু করেছে। আর তাই এবার এই ব্যাপারে সময় নষ্ট না করে যাতে বিজেপির উত্থানে কাটা হয়ে এই এনআরসি ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার করা যায়, তার জন্য এখন থেকেই দলের নদীয়া জেলার সকল নেতৃত্ব এবং কর্মীদের পথে নামার নির্দেশ দিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “লক্ষ্মীপুজোর পরেই আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে সংগঠন মজবুত করা। এর জন্য দলীয় কর্মীদের নিয়ে মাঠে নেমে পড়তে হবে। দুই সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে এই ব্যাপারে বলা হচ্ছে। বুথে বুথে কর্মীদের যেতে বলা হয়েছে। এনআরসি নিয়ে প্রচার চলবে।” তবে যেখানে বিজেপির প্রবল প্রভাব, সেখানে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সেনাপতি হিসেবে নদীয়া জেলা নেতৃত্বকে পথে নামার নির্দেশ দিলেও তাতে আদৌ কতটা সফল হয় তৃণমূল! এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!