এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > চিটফান্ড দুর্নীতিতে দলীয় নেতাদের নাম জড়ানো কি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে ধাক্কা দেবে?

চিটফান্ড দুর্নীতিতে দলীয় নেতাদের নাম জড়ানো কি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে ধাক্কা দেবে?

Priyo Bandhu Media


আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় শাসক তৃনমূল বনাম বিরোধীদল বিজেপির তরজায় জমে উঠেছে রাজনীতি। ঘটনার সূত্রপাত, বিগত ইউপিএ টু আমলে এফডিআই ইস্যুতে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন প্রত্যাহারের ঘোষণা করার পর থেকেই রাজ্যের বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস নেতাদের দাবি মোতাবেক নড়েচড়ে বসতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে।

তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। কেন্দ্রের কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার বিদায় নিয়ে গত 2014 সালে তার জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। আর কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় বদল আসার সাথে সাথেই রাজ্যের মানচিত্রে শাসক-বিরোধী চিত্রটা অনেকটাই পাল্টে গেছে 2016 সালে বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল না করলেও গত বছরের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়াতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। এখন বাংলার প্রধান বিরোধীদলের জায়গায় এসেছে বিজেপি।

বাংলা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে সেনাপতি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তৃণমূলের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই পক্ষপাতিত্ব চালাচ্ছে সিবিআই। গ্রেপ্তার হয়েছে ইতিপূর্বে একাধিক তৃণমূল নেতা। কলকাতা পুলিশের নগরপালের দরজাতেও হাজির হয় তথাকথিত তোতাপাখির দল। এমনকি নজিরবিহীনভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও রাস্তায় দেখা গেছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সাংবিধানিক সংকটের নামে তৃণমূল নেত্রী একত্রিত করেছে ইউনাইটেড নেশনের সমস্ত নেতাদেরকে। যাদেরকে নিয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে গত 19 শে জানুয়ারি তিনি সভাও করেছিলেন। যেখানে অনেককেই বলতে দেখা গেছে, “হাম মমতা কে সাত হে”। এদিকে এই ইস্যুতে তৃনমূলকে খোঁচা মারতে ছাড়েনি বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। গেরুয়া শিবিরের দাবি, রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নিজেই ধ্বংস করেছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর বেকায়দায় পড়তে আজ সেই গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে নিজেই সাংবিধানিক সংকট তৈরি করছেন তিনি। আর এর মধ্যেই বেশ ভালোভাবেই জমে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি রঙ্গমঞ্চ। একদিকে যেমন বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব আর অন্যদিকে তেমন সাদা পাঞ্জাবিতে দুর্নীতির কাদা লাগার ভয় পাচ্ছে একাধিক তৃনমূল নেতা।

আর এই জর্জরিত নেতাদের থেকে ইতিপূর্বেই দূরত্ব তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সব মিলিয়ে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে সিবিআই কাটা এবং দুর্নীতির দাগ কতটা বিপদে ফেলতে পারে তৃণমূল নেতৃত্বকে অথবা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে কতটা মাইলেজ পেতে পারে বঙ্গের শাসক দল এখন সেই দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক ও বিশেষজ্ঞমহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!