এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > লোকসভার আগে রাফাল নিয়ে মোদির হাতে বড় অস্ত্র দিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান

লোকসভার আগে রাফাল নিয়ে মোদির হাতে বড় অস্ত্র দিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান


লোকসভা ভোটের মুখে ফের রাজনৈতিকমহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে এল রাফাল ইস্যু। গোটা ২০১৮ সাল ধরেই বিজেপি বনাম কংগ্রেসের তরজা অব্যাহত ছিল। এবং এখনো সেই ইস্যু ছাইচাপা পড়েনি। বরং লোকসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফের রাজনৈতিক চর্চার মধ্যমনি হল ইস্যুটি।

এবার রাফাল নিয়ে মন্তব্য করে বিজেপি সরকারের হাতে লড়াই করার হাতিয়ার দিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এয়ারমার্শাল এ ওয়াই টিপনিস। বায়ুসেনার আরো স্কোয়াড্রনের প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবী করলেন ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে যদি এখন রাফাল থাকত তাহলে পাকিস্তানের কাছে থাকা ২৪ টি যুদ্ধবিমানের মধ্যে ১২ টাই ধ্বংস হয়ে যেতো।

এদিন দিল্লিতে একটি সংবাদমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজিত নিরাপত্তা বিষয়ক সামিটে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান। সেখানেই তিনি রাফাল ইস্যুতে বিজেপি সরকারের স্বপক্ষে কথা বলে মোদীর মুখে হাসি ফোটালেন। বললেন,পুলওয়ামা ঘটনার সূত্র ধরে তিনি দাবী করলেন পাকিস্তানের ২৪ টি বিমানের লক্ষ্য ছুল জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর এবং অবন্তিপোরা বেসক্যাম্পে হামলা চালানো।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

ভারতের কাছে যদি আজ রাফাল থাকতো তাহলে ভারতীয় বায়ুসেনা কমপক্ষে ১২ টি বিমানকে ধ্বংস করতে পারত। রাফালই ভারতীয় বায়ুসেনার মানসিক জোর আরো বাড়িয়ে দিত বলেই দাবী করলেন তিনি। এছাড়া সন্ত্রাসবাদকে নিয়ন্ত্রণ করতে আরো উপযুক্ত অত্যাধুনিক কৌশল দরকার বলেও অভিমত প্রকাশ করে তিনি বললেন,’আর চুপ করে থাকবে না ভারত। তবে তার জন্য এটাও লক্ষ্য রাখতে হবে, সরকার বদলে গেলেও জঙ্গি দমনের কৌশলে যেন কোন পরিবর্তন না আসে। একটি নির্দিষ্ট পথে যেন তা এগিয়ে চলে।’

পুলওয়ামা ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারত-পাক সম্পর্কের মধ্যে যে উত্তেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তার জন্যে খেলা বা দুই দেশের সংস্কৃতির উপর পড়বে কিনা তা নিয়েও বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ খেলা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নতি হবে বলে জোরালো দাবী তুললেও বেশিরভাগই এর বিপক্ষে কথা বলেছেন।

এদিন প্রাক্তন সেনাপ্রধানও একই সুরে কথা বলে দুই দেশের মধ্যে হওয়া সমস্ত সাংস্কৃতিক ও খেলা সংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করে পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করার পক্ষে তীব্র সওয়াল তুললেন। সন্ত্রাসকে আশকারা দেওয়া প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তানকে কটাক্ষ করে বললেন,পাকিস্তানের আইনকানুন আসলে জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আর এই জঙ্গিঘাঁটিগুলোর শক্তিবৃদ্ধিতে মদত দিচ্ছে খোদ পাক প্রশাসন। কাজেই সন্ত্রাসবাদ দমনে পাকিস্তান সরকারকে এবার সক্রিয় হওয়া উচিৎ বলেই মনে করছেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান।

প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধানের মতো একই সুরে কথা বলে পাকিস্তানকে আক্রমণ করলেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান বিক্রম সিং-ও। তাঁরও বক্তব্য,পাকিস্তান কখনোই যা মুখে বলবে তা করবে না। তাই জঙ্গি দমনের ব্যাপারে যাবতীয় পদক্ষেপ ভারত সরকারকেই নিতে হবে। ভারতের উচিৎ পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলোকে মৌচাকে যেমন হামলা করা হয় সেরকম হামলা করা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!