এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > প্রিয়াঙ্কা রাহুলের ঘুম উড়িয়ে বিজেপিতে বিক্ষুব্ধ বিধায়ক, কর্নাটকে কি সমীকরণ বদলাচ্ছে

প্রিয়াঙ্কা রাহুলের ঘুম উড়িয়ে বিজেপিতে বিক্ষুব্ধ বিধায়ক, কর্নাটকে কি সমীকরণ বদলাচ্ছে


লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ যতোই এগিয়ে আসছে ততোই রাজনীতির অঙ্গনে দলবদলের খেলা যেন আরো জমে উঠেছে। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সংগঠন মজবুত করতে তৎপর রয়েছে। তার মাঝেই দফায় দফায় সদস্যদের দলপরিবর্তনের খবর রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিচ্ছে।

এর জেরে লোকসভা ভোটে হাওয়া যে কোন দিকে বইছে তা এখনো সঠিকভাবে আঁচ করা যাচ্ছে না। সম্প্রতি রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে চাপে ফেলে কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক উমেশ যাদব পদত্যাগ করলেন। সোমবারই কর্ণাটকের বিধানসভার অধ্যক্ষ কেআর রমেশ কুমারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।

কেন হঠাৎ করে এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি। তবে তিনি বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা তা নিয়েও যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। এক বিজেপি নেতার সূত্র থেকে জানা গিয়েছে,এখনো পর্যন্ত উমেশ যাদব বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে আগামী ৬ মার্চ গুলবার্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় প্রকাশ্যে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে,বিজু জনতা দলের প্রাক্তন সাংসদ বৈজয়ন্ত জয় পান্ডাও সোমবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে খবর রয়েছে। ওড়িশায় দলীয় সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই তিনি দলত্যাগ করলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর কথায়,ওড়িশায় যে সমস্যা রয়েছে তার থেকে নিস্তার পেতে আপাতত যেকোনো দলের হাত ধরতেই তিনি রাজি। তবে দল নিয়ে বিক্ষুব্ধ নন তিনি। এর আগে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তাকে বিজেপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য,এই দলবদলের ঘটনার জেরে স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির মুখে হাসি ফুটেছে। সম্প্রতি দক্ষিণ ভারতে লোকসভা ভোটে সংগঠনকে পোক্ত করতে জোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস রেখেছেন মোদী। সম্প্রতিই কংগ্রেস এবং ডিএমকে জোটকে ধাক্কা দিয়ে তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকে সহ আরো তিন দলের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন মোদী।

উত্তর ভারতেও বিহার,উত্তরপ্রদেশেও জোটের পথে হাঁটতে চাইছেন মোদী। এই অবস্থায় বিরোধী শিবিরের সদস্যরা বিজেপিতে যোগ দিয়ে মোদীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০১৪ সালের মোদী ম্যাজিক ২০১৯ এ অতোটা না থাকলেও বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে হটানো অতোটাও সহজ নয় বলেই দাবী গেরুয়াশিবির কর্তাদের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!