এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > রাজ্যের লোকসভা নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করানোর কথা দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

রাজ্যের লোকসভা নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করানোর কথা দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

সামনেই লোকসভা ভোট। ২০১৯ এর নির্বাচনের কাঙ্খিত দিনটি দেখতে দেখতেই চলে আসবে। তাই এখন থেকে কোমর বেঁধে কাজে লেগে পড়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির আধিকারিকরা। অবাধ, সুষ্ঠু এবং সন্ত্রাসবিহীন ভাবে ভোটপর্ব মেটাতে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের তরফ থেকে।
এদিন কোলকাতার মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্স ইন্ডাস্ট্রির এই বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ওমপ্রকাশ রাওয়াত জানান যে লোকসভা ভোট শান্তিপূর্ণভাবে মেটাতে একটি অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। অ্যাপটির মাধ্যমে আমজনতা নির্বাচনের সময় কোনো গোলমাল হলে বা বেআইনি কাজ হলে তাঁর ছবি তুলে পাঠাতে পারবেন নির্বাচন কমিশনে। তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। প্রেরকদের নাম গোপন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানালেন যে,সম্প্রতি কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচনেও নাকি এই অ্যাপ ব্যবহার করা হয়েছে। বঙ্গের মহেশতলা উপনির্বাচনের মতোই নাকি সুষ্ঠুভাবে ভোট হবে লোকসভাতে। তিনি আরো জানান যে ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। ভোটের আগে সব রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোকেই এগুলো দেখানো হয়। এসব অভিযোগে যারা সরব হয়েছে তাঁদের দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন রাওয়াতজী। তিনি আরো জানান যে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর নির্বাচন কমিশন আমাদের দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দারুণ প্রশংসা করেছেন। তাঁরা বিষ্ময় প্রকাশ করে জানতে চেয়েছেন যে ১১০ কোটির ভারতবর্ষে এতো ভোটার এতো ভোটবুথ কীভাবে পরিচালনা করেন নির্বাচন কমিশন। তখন তাঁদের কমিশনের কার্যকলাপ সম্পর্কে জানানো হয় যে কীভাব অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি অবলম্বন করে চলে আমাদের দেশের ভোট প্রক্রিয়া।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিন নিউটাউনে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবেও তিনি বলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা রাখতে। মহেশতলা উপনির্বাচনকে সাক্ষী হিসাবে তুলে ধরেন তিনি শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটগ্রহন প্রক্রিয়ায় উদাহরণ হিসাবে এবং আশ্বাসও দেন আগামী ভোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হবে। এ রাজ্য আর ভোটপর্বে রক্তপাত দেখবে না বলেই দাবী তাঁর। ইতিমধ্যে দেশের প্রায় ১ হাজার রাজনৈতিক দলের উপর নজরদারিও শুরু হয়েছে বলেই জানান তিনি। যেসব রাজনৈতিক দলের কোনো কর্মকান্ডের খবর কমিশনে এসে পৌছায় না বা যাদের সঙ্গে চিঠি মারফতও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়না তাদেরকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। তবে বাতিল করা যাবে না দলগুলোর রেজিস্ট্রেশন। সাধারণত ৩০-৩২ টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে সক্রিয়তার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে বলেই জানা গেছে রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে।

Top
error: Content is protected !!