এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > লোকসভা ভোটের মুখে শাসকদলের চাপ বাড়িয়ে ধারণায় অধীর চৌধুরী

লোকসভা ভোটের মুখে শাসকদলের চাপ বাড়িয়ে ধারণায় অধীর চৌধুরী

লোকসভা ভোট চলাকালীন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের উপর সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে এবার ধর্নায় বসলেন অধীর চৌধুরী। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের এবারের কংগ্রেসে প্রার্থী হলেন অধীর চৌধুরী। জানা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সভার দিন রাতেই মুর্শিদাবাদের বড়ঞার পাঁচথুপিতে আক্রান্ত হন কংগ্রেসের নেতাজেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি তাপস দাশগুপ্ত। কংগ্রেসের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয় যে এই হামলার পিছনে রয়েছে তৃণমূল। আর তাই কংগ্রেস নেতাকে মারধর ও তৃণমূলের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাতভর জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বহরমপুরের গান্ধী মূর্তি পাদদেশের সামনে ধরনায় বহরমপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি। এখনও অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এদিন তিনি সরাসরি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন যে, এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল। পাশাপাশি এও অভিযোগ করেন যে, প্রশাসনকে বার বার অভিযোগ জানিয়েও কোনো ফল হয়নি ,কেননা অভিযোগ পেয়েও তারা কোনও পদক্ষেপই করছে না প্রশাসন।

আহিরবাবুর অভিযোগ যে গতকালই মুর্শিদাবাদে জোড়া জনসভা থেকে অধীর চৌধুরির সাম্রাজ্যের অবসান ঘটানোর ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাথেই এদিন তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপি-আরএসএসের আঁতাতেরও অভিযোগ তুলেছিলেন। আর তার পরেই রাত্রে কংগ্রেস নেতার উপর হামলা হয়। গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তাঁকে রাতেই কান্দি হাসপাতালে ভরতি করাতে হয়। আর এর পরেই অধীরবাবু জেলাশাসকের দপ্তরে যান ও প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন তিনি। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় তিনি ধারণায় বসেন। তাঁর সঙ্গে আছেন বহরমপুরের বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন তিনি ধর্ণা মঞ্চ থেকে প্রশ্ন তোলেন যে , ‘মুখ্যমন্ত্রীর সভার পরই এই হামলা, এর পিছনে কী রহস্য আমরা বুঝতে পারছি না।’ সাথেই জেলাশাসককে হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। এদিকে এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। জানা গেছে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মাহে আলম এবং বাবাই নামের দুই তৃণমূল যুব সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যদিও, হামলার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগেও পাঁচথুপিতে কংগ্রেস নেতার ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রাস্তায় ফেলে তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরা তাঁকে কিল, চড়, ঘুষি মারে। আর থানায় অভিযোগ জানানোর পরেও কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি প্রশাসন ফলে সব মিলিয়ে এদিন ধারণায় বসেন অধীরবাবু সুবিচারের আশায়।

রাজনৈতিকমহলের মতে, এর ফলে চাপ বাড়লো রাজ্যের শাসকদলের। কেননা নির্বাচন শুরু হয়ে গেছে আর এই সময় এই অভিযোগ ও ধর্ণা সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশণ আরো চাপ বাড়িয়ে আরো কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে পারে। ফলে বিরোধীদের দাবিকে মান্যতা দিয়ে আরো কড়া হবে নাকি এমনি চলবে তা এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত জানান -
Top