এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় দলীয় প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত বিজেপির

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় দলীয় প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত বিজেপির

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এবার বাংলাকেই পাখির চোখ করেছে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যের 42 টি আসনে ঠিক কাদের কাদের প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। 2014 লোকসভা নির্বাচনে সমাজের বিশিষ্ট জনের মধ্যে থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তুলে এনে চমক দিলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মুখ পুড়েছে তাঁদের।

বাপি লাহিড়ী, পি সি সরকারের মতো সংগীতশিল্পী থেকে জাদুগড় কেউই তৃণমূলের প্রার্থীদের থেকে তেমন বেশি ভোট পাননি। একমাত্র আসানসোলের বাবুল সুপ্রিয় আর দার্জিলিঙে সুরিন্দর সিং অহলুওয়ালিয়াই বিজেপির মুখ রক্ষা করেছিল। সেই অপেক্ষাকৃত চমকপ্রদক প্রার্থী অপেক্ষা দলের সংগঠন বোঝা নেতাদের প্রার্থী করার পক্ষে সওয়াল করছেন বিজেপি নেতারা।

কেননা এবারের এই নির্বাচন তাদের কাছে অন্যতম চ্যালেঞ্জের বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। একদিকে বিজেপিকে সরানোর জন্য কেন্দ্রে জাতীয় রাজনীতিতে যেমন তৈরি হয়েছে বিরোধী মহাজোট, ঠিক তেমনি রাজ্যেও সেই বিরোধী মহাজোটের অন্যতম নির্ণায়ক শক্তি তথা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করে সরব হয়েছে। আর তাই সেই দিক থেকে এবার লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের 42 টি আসনে ঠিক কাদের কাদের প্রার্থী করা যায় তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই এই লোকসভা ভোট নিয়ে বাংলাকে টার্গেট করে বিজেপি নেতাদের মধ্যে তিনটি বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। জানা যায়, প্রথম বৈঠকে দিল্লিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ এবং পরবর্তীতে কলকাতায় দুটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতাদের পাশাপাশি অন্যতম কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তথা দলের ভারপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিবপ্রকাশ।

সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই ঠিক হয়েছে যে সমাজের বিশিষ্ট ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তি যাদের সঙ্গে দলের কোনো সংযোগ নেই এবারের নির্বাচনে তাঁদেরকে টিকিট দেওয়ার ব্যাপারে ভাববে বিজেপি। দলের সংগঠন করা স্বচ্ছ ভাবমূর্তি অধিকারী ব্যক্তিকেই এবার টিকিট দিতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

জানা গেছে, রাজ্যের 42 টি লোকসভা আসনের মধ্যে বিজেপি টার্গেট রয়েছে 23 টি আসনে জয়লাভ করা। আর এর মধ্যে উত্তরবঙ্গের মালদহ, বালুরঘাট, কোচবিহার এবং দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা উত্তর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, শ্রীরামপুর এবং জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রগুলি তৃণমূলের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে মরিয়া বিজেপি।

আর সেই সমস্ত আসনগুলিকে পাখির চোখ করে সেইখানে যাতে সাংগঠনিক এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি লোকেদের যাতে প্রার্থী করা যায় তার দিকেই নজর দিচ্ছেন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিজেপির নেতারা। এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির অন্যতম সর্বভারতীয় সম্পাদক তথা বাংলায় দলের দায়িত্ব প্রাপ্ত সহনেতা সুরেশ পূজারী বলেন, “2014 সালের থেকে 2019 সালের পরিস্থিতি অনেক আলাদা। এখানে বিজেপি আগের থেকে অনেক বেশী মজবুত হয়েছে। 2014 সালে প্রার্থী বাছাইয়ে চমকের রাজনীতি করতেই হত। কিন্তু 2019 সালের সাংগঠনিক শক্তি কার কতটা মজবুত তার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করার দিকে জোর দেওয়া হয়েছে।”

সব মিলিয়ে এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুলসংখ্যক আসন নিজেদের দখলে রাখতে এবার দক্ষ সংগঠক এবং স্বচ্ছ্ব ব্যক্তিদেরই টিকিট দেওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে পদ্ম শিবির।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!