এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপির বিরুদ্ধে লোকসভায় অভিনব প্রতিবাদ তৃণমূলের, জোর শোরগোল

বিজেপির বিরুদ্ধে লোকসভায় অভিনব প্রতিবাদ তৃণমূলের, জোর শোরগোল

 

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলার 42 টি আসনের মধ্যে 18 টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। বাংলা থেকে 18 টি আসনে জয়লাভ করে 22 টি আসন পাওয়ার তৃণমূলের ঘাড়ের ক্রমশ নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে বাংলাতেই শুধু তৃণমূলকে বিপাকে ফেলা নয়, দিল্লিতে যাওয়া তৃণমূলের 22 জন সাংসদকে চাপে রাখতে এবার বাংলার বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে লোকসভায় সরব হতে দেখা যাচ্ছে বিজেপির 18 জন সাংসদকে।

ইতিমধ্যেই বাংলার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সংসদে সরব হয়েছেন বিজেপির 18 জন প্রতিনিধি। বস্তুত, সম্প্রতি সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে। এদিন তার প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হতে না হতেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হন বাংলার 18 জন বিজেপি সাংসদ। এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বাংলার বিজেপি সাংসদের কাছে গিয়ে পরামর্শ দিতে দেখা যায়। যা নিয়ে রীতিমতো আপত্তি জানান লোকসভায় উপস্থিত থাকা তৃণমূল সাংসদরা।

তারা বলেন, একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিভাবে নিজের আসন ছেড়ে অন্যান্য সাংসদদের কাছে গিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন! আর এই ব্যাপারে স্পিকারের কাছে তার দৃষ্টি আকর্ষন করার সাথে সাথেই সেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সতর্ক করে দেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা।

তবে তারপরও সংসদের অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি‌। একের পর এক রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ঘটনাকে তুলে ধরে সংসদে সরব হতে থাকেন বিজেপির বাংলা থেকে 18 জন সাংসদ। আর এবার বিজেপি সাংসদদের চাপে রাখতে লোকসভায় প্রতিবাদে সরব হতে দেখা গেল তৃণমূলের সাংসদদের। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সংসদকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করছেন বিজেপি সাংসদরা।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এই ব্যাপারে অভিযোগ জানিয়ে একটি চিঠি দিতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। জানা গেছে, তৃণমূলের সংসদীয় দলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় এবং মালা রায় বিজেপি সাংসদরা যাতে তাদের এরূপ আচরণ বন্ধ করে, তার জন্য সই করে একটি চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দিয়েছেন। আর তৃণমূলের পক্ষ থেকে এহেন উদ্যোগ নেওয়ায় এখন রাজনৈতিক মহলের তৈরি হয়েছে জল্পনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত দিন যাচ্ছে, ততই বাংলায় দাপট বাড়ছে বিজেপির। বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে চাপে রাখছে তারা।

এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে বাংলার ঘটনাকে এনে যেভাবে বিজেপি সাংসদরা প্রতিবাদ করছে, তাতে তৃণমূল সাংসদরা কিছুটা হলেও চাপে পড়েছে। আর তাই তো সেই বিজেপি সাংসদের দমাতে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তৃণমূল সাংসদরা। কিন্তু এতে করে কি কিছু লাভ হবে! তৃণমূল সূত্রের খবর, যদি এরপরও বিজেপি সাংসদরা তাদের একই আচরণ বজায় রাখেন, তাহলে তারা “প্রিভিলেজ মোশন” আনতে উদ্যোগী হবেন।

এদিন এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “ভিত্তিহীন তথ্য তুলে ধরে বাংলার বিজেপি সাংসদরা সংসদের মর্যাদা নষ্ট করতে চাইছে। এভাবে এখানে সবকিছু তোলা যায় না। সেই কারণে স্পিকারকে আমরা চিঠি দিয়েছি।” সব মিলিয়ে এবার সংসদে তৃণমূল-বিজেপি তরজা চরম আকার ধারণ করল বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!