এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > জারি লোকায়ুক্ত বিজ্ঞপ্তি- মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি তদন্ত “প্রায়” করা যাবে না

জারি লোকায়ুক্ত বিজ্ঞপ্তি- মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি তদন্ত “প্রায়” করা যাবে না

এবার রাজ্যের মন্ত্রী থেকে বিধায়ক; জনপ্রতিনিধি থেকে সরকারী অফিসার-দুর্নীতির তদন্তের জন্য লোকায়ুক্ত নিয়োগের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে গেল। সূত্রের খবর; গত জুলাই মাসে রাজ্য বিধানসভায় এই লোকায়ুক্ত আইনে সংশোধনী বিল পাস হওয়ার সাথে সাথেই গত সেপ্টেম্বর মাসে এই সংশোধনী বিল অনুমোদন দেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। আর এই সংশোধনী আইন কার্যকর করার জন্য এবার প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও কর্মী বর্গ এবং প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর। কিন্তু ঠিক কী জানানো হয়েছে সেই বিজ্ঞপ্তিতে? জানা গেছে 11 অক্টোবর থেকে এই আইনটি রাজ্যে কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এবার থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শেই রাজ্যপাল লোকায়ুক্ত নিয়োগ করবেন। তবে এই লোকায়ুক্ত নিয়োগের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেও আলোচনা করতে হবে বিধানসভার স্পিকার পরিষদীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতার সঙ্গে। তবে ঠিক কাকে এই লোকায়ুক্ত হিসেবে নিয়োগ করা হবে সেই ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে। জানানো হয়েছে; হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিকেই লোকায়ুক্ত হিসেবে নিযুক্ত করতে হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত 2003 সালে বামফ্রন্ট সরকারের সময় লোকায়ুক্ত গঠনের জন্য বিধানসভা একটি বিল পাস করিয়ে আইন তৈরি করা হয়। আর এরপরই গত 2006 সালে রাজ্যের প্রথম লোকায়ুক্ত হিসেবে নিযুক্ত হন হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যায়; 2009 সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে ছিলেন। আর সমরেশবাবুর পরে এই পদে আর কাউকেই নিয়োগ করেনি তৎকালীন বাম সরকার। নিয়মানুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের জন্যই এই লোকপাল নিয়োগ করার কথা হলেও আইন তৈরি হয় ঠিকই কিন্তু তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলাও হয় আর এরপরই সুপ্রিম কোর্ট সব পক্ষের কাছ থেকে এফিডেভিট চেয়ে জানতে চায় যে তারা কি কবে লোকায়ুক্ত নিয়োগ করবে।

জানা যায় তখনই রাজ্যের পক্ষ থেকে দেশের শীর্ষ আদালত কে জানানো হয় যে; কেন্দ্র 2013 সালে সংশোধিত লোকপাল আইন তৈরি করলে তার ভিত্তিতে রাজ্যে লোকায়ুক্ত আইন সংশোধন করা হবে। আর এরপরই গত জুলাই মাসে রাজ্য বিধানসভায় লোকায়ুক্ত আইনের সংশোধনী বিল পাস হয়। কিন্তু এই সংশোধনী নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায় রাজ্যের বিরোধী দলগুলো মুখ্যমন্ত্রীকে লোকায়ুক্ত এর বাইরে রাখা হয়েছে বলে ক্ষোভও প্রকাশ করেন তারা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো  করুন এই লিঙ্কেখবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক

সূত্রের খবর রাজ্যের আইন এ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে; পাবলিক অর্ডার এর আওতাভুক্ত কোন বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনরূপ তদন্ত করতে পারবে না লোকায়ুক্ত। এমনকি শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন; মন্ত্রী; বিধায়ক সহ বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি; সরকারি আধিকারিক; কর্মী প্রত্যেকেই পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে গণ্য হন। তাই এদের বিরুদ্ধে লোকায়ুক্তের কাছে কোন দুর্নীতির অভিযোগ পড়লে সেই তদন্ত শুরুর আগে রাজ্যের কাছ থেকেই নিতে হবে অনুমোদন।

Top
error: Content is protected !!