এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া জ্বালাতে চাইলে,বাংলার মানুষ সারা বাংলা জ্বালিয়ে দেবে:লকেট চ্যাটার্জী

পুরুলিয়া জ্বালাতে চাইলে,বাংলার মানুষ সারা বাংলা জ্বালিয়ে দেবে:লকেট চ্যাটার্জী

‘আজ রাজ্যে বিজেপি কর্মীদের শহিদ হতে হচ্ছে। খুন করা হচ্ছে বাচ্চা বাচ্চা ছেলেদেরকে। আমরা ছেড়ে দেব না। মুখ্যমন্ত্রী প্রথম খুনের ক্ষেত্রে চুপ করে ছিলেন। দ্বিতীয় মৃত্যুর পর তিনি ভয় পেয়ে নিজেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সব তথ্য-প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা করছে। পুরুলিয়া বাসী তথা রাজ্যবাসী চায় এই দুই খুনের সঠিক বিচার হোক। তাই আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। পুরুলিয়াকে জ্বালাতে চাইলে, বাংলার মানুষ সারা বাংলা জ্বালিয়ে দেবে।’ এমনভাবে এদিন প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন বিজেপির দাপুটে নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র ভাবে অভিযোগে আঙুল তুলল রাজ্য বিজেপি শিবির। রাজ্যের পদ্মশিবির এ দিন প্রতিবাদ মিছিল করে কোলকাতা সহ পুরুলিয়া,হাবড়া,পোলবা,চন্দ্রকোনা,কাটোয়া,মেদিনীপুর,হাওড়া,মহম্মদ বাজার,তারকেশ্বরে। এই প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটেন হাজার হাজার বিজেপি সমর্থক। কিন্তু কেন এই প্রতিবাদ মিছিল আর বিজেপির তর্জন গর্জন? আসুন দেখে নেওয়া যাক।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

সম্প্রতি পুরুলিয়ার বলরামপুরে ত্রিলোচন মাহাতো নামের এক বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছিলো রাজ্য বিজেপি মহল। কোলকাতার বুকে বিকেল পাঁচটা থেকে মোমবাতি মিছিল করার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। ঘটনার তিনদিন কাটতে না কাটতেই আবার একই ধরনের খবর আসে  একই জায়গা থেকে। এবার দেহ ঝুলল দাভাগ্রামের বিজেপি কর্মী দুলাল দাসের। এ খবর কানে আসতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে রাজ্যের পদ্মশিবির। তাঁদের দাবী উক্ত দুটো ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ছিল ঠুঁটে জগন্নাথের মতো। তাই অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের দাবী জানিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে নেমেছে রাজ্যবিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা। জানা গেছে, এদিন দিল্লীতেও বঙ্গ ভবনের সামনে বিজেপি কর্মী  খুনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। আজ রাতেই রাজ্য বিজেপির কিছু বরিষ্ট নেতারা পুরুলিয়ায় যাবেন মৃত কর্মীদের পরিবারকে সহানুভূতি জানাতে। আর কোনো কর্মসূচী নেই তাঁদের। এর পাশাপাশি,পুরুলিয়ায় জয়ী বিজেপি তরফের পঞ্চায়েত সদস্যদের সুরক্ষার ব্যাপারে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার আছে তাঁদের।

তবে উক্ত দুটো হত্যার ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে দায়ী করা হচ্ছে সীমান্তপ্রদেশ থেকে আগত বহিরাগতদের। তবে এই মন্তব্যেকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় চড়া গলায় বলেছেন,  ওরা খুন করে সবসময় দোষের বোঝা চাপায় বহিরাগতদের উপর। যদি বাইরে থেকেই দুষ্কৃতি এসে এটা করে তবে তাঁরা প্রমাণ করে দেখাক। বীরভূমের ব্যাপারটাতেও একই কথা বলেছিলো। তাঁদের ‘বহিরাগত তত্ত্ব’ এর ঢং এর রাজনীতি একদমই বিশ্বাসযোগ্য নয়। নেত্রীর বক্তব্যে সাফ ধরা পড়ছে উক্ত ঘটনার জেরে বিজেপিশিবিরের উদ্বেগ। আপাতত বিজেপিঘাঁটিতে উত্তাপের পারদ যে কতটা উপরে চড়েছে তা আন্দাজ করা যাচ্ছে বিজেপি নেত্রীর বক্তব্য শুনে।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!