এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাম-কংগ্রেস জোট ভেস্তে যাওয়ায় কি বাড়তি সুবিধা তৃণমূলের? বাড়ছে জল্পনা

বাম-কংগ্রেস জোট ভেস্তে যাওয়ায় কি বাড়তি সুবিধা তৃণমূলের? বাড়ছে জল্পনা

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ও বিরোধী দল বিজেপিকে সরাতে গেলে হাতে হাত ধরে চলা উচিত বলে প্রথম থেকেই জোটের পক্ষে সওয়াল করেছেন সিপিএমের আলিমুদ্দিন স্ট্রিট ও কংগ্রেসের বিধান ভবনের নেতারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই জোটে জটের কারণে তা ভেস্তে যেতে বসেছে।

আর রাজ্যের এই দুই বিরোধী দল কংগ্রেস এবং বামেদের মধ্যে জোট না হওয়ায় এখন সব থেকে বেশি পরিমাণে সুবিধা হয়ে গেল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। কেননা রাজ্যে যদি বাম ও কংগ্রেসের জোট হত তাহলে মমতা বিরোধী ভোট বিভাজিত হয়ে অনেকটাই লাভবান হতে পারত বিজেপি।

তবে এবার সেই জোট ভেস্তে যাওয়ায় এবং কংগ্রেস ও বাম আলাদা আলাদা ভাবে লড়ায় তাদের কর্মী সমর্থকরা নিজেদের দলকেই ভোট দেবে। আর যার ফলে বিজেপি তেমন সুবিধা করতে না পারলেও আখেরে লাভ হবে তৃণমূল কংগ্রেসেরই। অনেকেই বলছেন, সিপিএম এবং কংগ্রেসের মধ্যে যদি এই রাজ্যে জোট হত তাহলে যে সমস্ত কট্টরপন্থী বাম নেতা এবং কট্টরপন্থী কংগ্রেস নেতারা একে অন্যের দলকে পছন্দ করেন না তারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে গিয়ে বিজেপিকে সমর্থন করতেন।

কিন্তু এখন সেই ভাবে বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে জোট না হয় তাহলে তারা নিজেদের দলকে সমর্থন করবেন। ফলে সেদিক থেকে বিজেপি তেমন কোনো সুবিধা নিতে পারবে না বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। তবে বিজেপির দাবি, এবার তারা বাম এবং কংগ্রেসের একটা বড় ভোটব্যাঙ্ক নিজেদের দিকে টানতে সক্ষম হবেন।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু ভোটার থাকলেও এখনও পর্যন্ত নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি বিজেপি। ফলে সেই দিক থেকে বিজেপির হয়ে লড়াই করার মতো কোনো জনপ্রিয় মুখ না থাকায় সেই গেরুয়া শিবিরের প্রতি বাম এবং কংগ্রেসের বিদ্রোহী নেতারা আদৌ কতটা সমর্থন দেবেন তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে তৈরি হয়েছে ধন্দ।

এদিকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে জোট না হওয়ায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যে তাদের ভোটব্যাংকে অনেকটাই থাবা বসাবে সেই ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করতে দেখা গেছে প্রদেশ কংগ্রেসকেও। আর এর জন্য তারা দায়ী করছে সিপিএমকেই। কেননা একতরফাভাবে সিপিএম তাদের না জানিয়ে যেভাবে রাজ্যের বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে তাতে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড যথেষ্টই ক্ষুব্ধ।

আর এর জেরেই রাহুল গান্ধী স্পষ্ট ভাষায় প্রদেশ নেতৃত্বকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই লোকসভা ভোটে এই রাজ্যে কংগ্রেস একক ভাবে লড়বে। ফলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে চতুর্মুখী লড়াই হওয়ায় প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলই অ্যাডভান্টেজের দিক থেকে এগিয়ে রাখছে শাসকদল তৃণমূলকে। তবে কে শেষ হাসি হাসবে তা দেখবার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে আগামী 23 মে পর্যন্ত।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!