এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বাংলায় চতুর্থ দফা – অভিযোগ 2000, গ্রেপ্তার 145, চার বিধানসভাতে পুনর্নির্বাচনের দাবি বাম- বিজেপির

বাংলায় চতুর্থ দফা – অভিযোগ 2000, গ্রেপ্তার 145, চার বিধানসভাতে পুনর্নির্বাচনের দাবি বাম- বিজেপির

প্রথম থেকে যেমনটা আশঙ্কা করা হচ্ছিল, ঠিক তেমনটাই হল। অনেকেই বলেছিলেন, বিগত তিন দফার ভোটে তেমনভাবে কোনো অশান্তি বা বিরোধীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোট নিয়ে তেমন কোনো অভিযোগ জমা না পড়লেও চতুর্থ দফার ভোটে সেই অশান্তির পরিমাণ যেমন বাড়তে পারে, ঠিক তেমনি বিরোধীদের তরফে অভিযোগের পরিমাণও বাড়তে পারে। আর সেই আশঙ্কাকে সত্যি করেই প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোটকে নিয়ে অতটা তেমনভাবে বিরোধীদের তরফে অভিযোগ জানাতে দেখা না গেলেও চতুর্থ দফার ভোটে কমিশনের কাছে সেই বিরোধীদের তরফে একাধিক অভিযোগ পড়ায় হতচকিত অনেকেই।

কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দফায় 523 টি, দ্বিতীয় দফায় 708 টি এবং তৃতীয় দফায় 985 অভিযোগ জমা পড়েছিল। তবে চতুর্থ দফায় সেই অভিযোগের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দাড়িয়েছে 2065 টি। তবে শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেই নয়, সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকেও সি ভিজিল অ্যাপের মাধ্যমেও কমিশনের কাছে এদিনের ভোট নিয়ে নানা অভিযোগ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল চতুর্থ দফার নির্বাচনে সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে গন্ডগোলের ঘটনায় নানা অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছে আসতে শুরু করে। কোথাও বিরোধী প্রার্থীদের গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তো কোথাওবা বুথ রিগিং, ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাসকদলের বিরুদ্ধে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও তাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়নি বলেও অভিযোগ করতে দেখা যায় বিরোধীদের। আর এরপরই বেলা যত বাড়তে থাকে, ততই নির্বাচন কমিশনের কাছে এসে এই চতুর্থ দফার ভোট নিয়ে সরব হন বিরোধী দলের নেতারা। এদিন প্রথমে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে এসে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রদীপ ভট্টাচার্য্যরা গোটা নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ করেন। আর এরপরই সেই কমিশনের দপ্তরে আসেন বিজেপির জয়প্রকাশ মজুমদার এবং শিশির বাজোড়িয়া। আর সেখানে এসেই কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের চাপরা, রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের চাকদহ, আসানসোলের বারবনি এবং পান্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলে বিজেপি।

একই দাবি জানিয়ে কমিশনের কাছে আসেন সিপিএমের রবিন দেবও। অন্যদিকে গতকালের পর আজকে ফের এই ব্যাপার নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের কাছে দরবার করা হতে পারে বলে জানা গেছে। কিন্তু দিনের শেষে কমিশনের পক্ষ থেকে এই ভোটকে শান্তিপূর্ণ বলেই দাবি করা হয়েছে। জানা গেছে, চতুর্থ দফার এই ভোটে গোলমালে যুক্ত থাকার অভিযোগে 145 জনকে গ্রেপ্তার এবং ছটি এফআইআর করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এবার চতুর্থ দফার ভোট নিয়ে অতীতের সমস্ত অভিযোগকে দমিয়ে দিয়ে বিরোধীদের রেকর্ড সংখ্যক অভিযোগ পড়ল নির্বাচন কমিশনে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!