এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উন্নয়ন দেখে দলবদলে শাসকের হয়ে প্রচারে হিড়িক লাগল বিরোধী প্রার্থীদের

উন্নয়ন দেখে দলবদলে শাসকের হয়ে প্রচারে হিড়িক লাগল বিরোধী প্রার্থীদের

বিরোধী প্রার্থীরা হঠাৎকরে শাসকদলে যোগ দেবার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিকমহলে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হবার পরই এরকম ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে বেশ কয়েকটি জায়গায়। এদিন সেই তালিকায় নাম লেখালেন কালনা ১ পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপি প্রার্থী ঝুমা হালদার, আসানসোলের নান্দাই পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী বাবলু হালদার, আশ্রমপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অনিতা বিশ্বাস।শুধু এনেরাই নন নাম লেখালেন নদিয়ার হাঁসখালি ব্লকের দলুই গ্রামের মামজোয়ান এলাকার বিজেপি প্রার্থী চারুমিহির সরকার এবং একই দলের স্থানীয় প্রার্থী রমেন্দ্রনাথ সরকার। পিছিয়ে নেই বীরভুমও।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিন বীরভূমের নয়ূরেশ্বর ২ ব্লকের উলকুন্ডা পঞ্চায়েতের ৩ জন বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর বাগদি,ছবি ভল্লা এবং প্রভাত দাস বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।
রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে জানা গেছে, রাজ্যসরকারের ‘উন্নয়ন’ দেখেই নাকি তাঁদের মত পরিবর্তন হয়েছে। তাঁরা সকলে উন্নয়নের জোয়ারে গা ভাসাতেই নাকি তৃনমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তৃণমূল নেতা রাজকুমার পান্ডের বক্তব্য, ”ওঁদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপি প্রার্থী করেছিল। দেরিতে হলেও ভুল বুঝতে পেরেছেন। যে আসনে ওঁরা দাঁড়িয়েছেন, সেগুলিতে যাতে তৃণমূল প্রার্থীকে মানুষ ভোট দেন, সেই মর্মে লিখিত আবেদনেও সই করেছেন।” তবে বিজেপির গলায় অন্য সুর। তাঁরা বলছে তৃণমূল ভয় দেখিয়ে চাপ দিয়ে নিজেদের দলে টেনেছে ওইসব প্রার্থীদের। অভিযোগে বিজেপি আরো জানায় যে যাদের ভয় দেখিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করানো যায়নি এভাবে পরিকল্পনা করে তাঁদের লড়াই থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদিও তৃনমূল বারবার দাবী করছে যে বিরোধীরা কিন্তু উন্নয়নের টানেই দল বদলাচ্ছেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!