এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > দুই হেভিওয়েট শীর্ষনেতাকে নিয়ে প্রবল অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির, ‘বিদ্রোহ’ এবার ঘরের মধ্যেই

দুই হেভিওয়েট শীর্ষনেতাকে নিয়ে প্রবল অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির, ‘বিদ্রোহ’ এবার ঘরের মধ্যেই

দলের দুই প্রভাবশালী নেতা গিরিরাজ সিং এবং জয়ন্ত সিনহা’র সৌজন্যে আবারও কোনঠাসা অবস্থানে গেরুয়া শিবির। এরমধ্যেই বিরোধী দলগুলি এই দুই নেতা  তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর অপসারণের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তবে গেরুয়া শিবিরের জন্যে সবথেকে দুশ্চিন্তার বিষয় এই যে এনডিএ জোটের অন্যতম শরিক দল  জেডিইউ সুপ্রিমো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও বিজেপি দলের এই দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বহিঃস্কারের দাবিতে বিরোধী দলের অন্যান্য নেতাদের সুরেই সুর মিলিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে নীতীশ কুমার জানালেন ,  কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এরকম কার্যকলাপ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। তা আদতে দেশের ঐক্যের পরিবেশকেই নষ্ট করে দেয়। গিরিরাজ সিংয়ের নামোল্লেখ না করেই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর কার্যকলাপ কে বিদ্রুপ করে ‘মিডিয়া স্টান্ট’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন। এছাড়াও নীতীশ জি এদিন প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে বললেন, পুলিশ ঘটনাটি  খতিয়ে দেখে তদন্ত করার পরেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এক্ষেত্রে ধৃতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই পুলিশ গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসবের পরেও যদি কারোর কোনো সংশয় থাকে তাহলে জেডিইউ সুপ্রিমোর পরামর্শ , তিনি সরাসরি আদালতে যেতে পারেন। কোনো সাংবিধানিক বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সংশয়ের কারণে আদালতে যাওয়া নাগরিকদের একটি গণতান্ত্রিক অধিকার বলেও তিনি জানান। আর যাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনী কাজের উপযুক্ত প্রমাণ  পাওয়া গেছে তাঁদের জন্যে সমবেদনা দেখানোর কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই বলেও তিনি মনে করেন। নীতীশ কুমারের এই বিবৃতির পরে আগামী লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোটে জেডিইউ ‘র জোট সঙ্গী হিসেবে থাকার বিষয়ে বেশ ধন্দ তৈরী হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। 

প্রসঙ্গতঃ জেডিইউ দলের এনডিএ জোটে অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আগেই সংশয় ছিলো কিন্তু দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দিন দিন যে জায়গায় চলে যাচ্ছে সেখানে , এদিনের নীতীশ কুমারের প্রকাশ্যে বিবৃতি রাজনৈতিক মহলের পূর্বেকার সংশয় কে একপ্রকার স্বীকৃতি দান করলো। উল্লেখ্য, বিহারের একটি গোষ্ঠী সঙ্ঘর্ষের ঘটনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং অভিযুক্তদের ‘নির্দোষ’ দাবি করে তাদের সঙ্গে জেলে গিয়ে দেখা করেছিলেন।  অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডে আমিরুদ্দিন নামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে ধৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে জেলে দেখা করে সমবেদনা জানিয়েছিলেন আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা। শুধু সমবেদনা জানানোই নয়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ওই আট অভিযুক্তের গলায় মালাও পড়িয়েছিলেন । এই দুই বিচ্ছিন্ন ঘটনার পরেই কেন্দ্রে বিজেপি সরকাররে বিরুদ্ধে সরব হয়েছে দেশের আঞ্চলিক বিরোধী দলগুলি।

 

Top
error: Content is protected !!