এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বেআইনি নির্মাণ রুখতে এবার কড়া নির্দেশিকা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বেআইনি নির্মাণ রুখতে এবার কড়া নির্দেশিকা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কথায় আছে “আইন থাকলে আইনের ফাঁকফোকর থাকবেই।” আর তাইতো সেই কথাকে সত্যি করেই আইনি ফাঁক গলে বিভিন্ন সময়ে কলকাতার পুর এলাকায় বড়সড় বেআইনি নির্মাণে ছাড় পেয়ে যান অনেকেই। কিন্তু আর না! এই ব্যাপারে এবার আরও কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পৌরসভা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কলকাতা পৌরসভার বিল্ডিং বানানোর নিয়ম অনুযায়ী দেখা যায় যে, অনুমোদন হওয়া প্ল্যানের থেকে সামান্য সরে গিয়ে অনেকেই রান্নাঘর, ঠাকুর ঘর বা অন্য কোনো কিছু নির্মাণ করেন। এমনকি নিয়ম বহির্ভূতভাবে তা নির্মাণ করলেও জরিমানা দিয়ে তা পরবর্তীতে বৈধ করে নেন তাঁরা।

আর এই ঘটনার সুযোগ নিয়ে শহরে অবৈধ ভাবে বেশির ভাগ বহুতল গড়ে উঠছে বলে বিভিন্ন সময়ই অভিযোগ করেন অনেকে। কিন্তু এবার অবশেষে এবার এই ব্যাপারে কিছুটা কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা শোনালো কলকাতা পৌরসভা। সূত্রের খবর, শুক্রবার কলকাতা পুরসভায় ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট প্রস্তাব পেশ করার পর এই ব্যাপারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “সাধারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের দাবী মত ঠাকুরঘর ও রান্নাঘরের মতো সামান্য ব্যাপারে ছাড় মিললেও প্রোমোটার বা বাণিজ্যিক নির্মাণের ক্ষেত্রে এরকম কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

কলকাতার নতুন মেয়র আরও জানিয়ে দেন, “আর এই অবৈধ নির্মাণের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে পুরসভার পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। যা গোটা শহরে নজরদারি চালাবে।” তবে শুধু এই বেআইনি বাড়ি নির্মাণের ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ নেওয়াই নয়, এদিনের বাজেটে রাজ্য সরকারের “বাংলার বাড়ি” প্রকল্পের আওতায় বস্তি অঞ্চলের মানুষদের জন্য বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সকলকে পরিবেশ সচেতন করে তুলতে এদিনের বাজেটে ফাঁকা জমিতে গাছ লাগানোর কথা বারে বারে উঠে এসেছে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের গলায়।

ফাঁকা জমিতে যাতে কেউ অবৈধভাবে কোন দলিল বের করে নির্মাণ কাজ করতে না পারে তার জন্য কোনো ফাঁকা জমি পড়ে থাকলেই তা পুরসভাকে এবার জানাতে হবে, নাহলে সেখানেই পুরসভার পক্ষ থেকে গাছ লাগানো হবে বলে জানান কলকাতার মহানাগরিক। সব মিলিয়ে এবার কলকাতা পৌরসভার বাজেটেও বেআইনি নির্মাণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা শোনা গেল। এর আগে বিভিন্ন জনসভায় বা দলের কোর কমিটির বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরব হয়েছিলেন, আঙুল তুলেছিলেন দলীয় নেতাদের দিকেই। তাই, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করতেই দলনেত্রীর দেখানো পথে এহেন সিদ্ধান্ত ফিরহাদ হাকিমের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!