এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > কোলকাতা মমতা-ময় হলেও পূর্ব মেদিনীপুর তাঁরই,আবার প্রমান করলেন শুভেন্দু অধিকারী

কোলকাতা মমতা-ময় হলেও পূর্ব মেদিনীপুর তাঁরই,আবার প্রমান করলেন শুভেন্দু অধিকারী



পূর্ব মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র বলেই নিজেকে ব্যাখ্যা করেন তিনি। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তাঁর আওতাধীন জঙ্গলমহলের এই জেলাটি। নন্দীগ্রাম আন্দোলন পর্ব থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কদমে কদম মিলিয়ে তিনিও জায়গা করে নিয়েছেন মানুষের মনে। বাম জামানায় নন্দীগ্রামের সাধারণ কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার আন্দোলনে তাঁর অবদানও কিছু কম ছিল না। কথা হচ্ছে পরিবহণ ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী তথা তমলুকের সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর।

কোলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাপট যতোটা,ঠিক তেমনভাবেই পূর্ব মেদিনীপুরের সর্বেসর্বা শুভেন্দু অধিকারী,একথা স্বীকার করেছেন খোদ জেলাবাসী মানুষেরাই। আর তাইতো,জেলার যে কোনো ছোট বড় জনস্বার্থমুখী অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি। এদিন মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনার মাহীন্দ্রক্ষণে তমলুক সহ কাঁথির তিনটি জায়গায় দুর্গা পুজার সূচনা হল। কাঁথি শহরের রাজাবাজার লাগোয়া কুমারপুর মহিলা দুর্গাবাড়ি সমিতির পরিচালনায় ১৬ তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধণ করলেন তৃণমূলের এই প্রভাবশালী নেতা। স্থায়ী দুর্গামন্ডপে প্রতিমার আবরণ উন্মোচিত হল তাঁর হাত দিয়ে। উদ্বোধণের দিন কাতারে কাতারে লোক জমায়েত হয়েছিল প্রতিমা দর্শনের জন্য। শুভেন্দুবাবু দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্য পুজোর আনন্দে শামিল হওয়ার বার্তা দিলেন।

পুজো উপলক্ষ্যে নানান কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল এদিন। বেশকিছু দুঃস্থ মানুষজনদের হাতে শুভেন্দুবাবু এদিন বস্ত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দিলেন। শুভেন্দুবাবুর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তমলুকের সংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী,উত্তর কাঁথির বিধায়ক বনশ্রী মাইতি,খেজুরি বিধায়ক রণজিৎ মন্ডল প্রমুখ রাজনৈতিক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বরা। উল্লেখ্য,কুমারপুর মহিলা সমিতিতে বহু মহিলা সদস্য রয়েছেন। যাঁরা যৌথ উদ্যোগে পুজোর চাঁদা তোলা থেকে শুরু করে পুজো পরিচালানার সমস্ত দায়িত্ব যত্নসহকারে পালন করেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে,একইদিন থেকেই কাঁথি-৩ ব্লকের বহিত্রাকুন্ডা প্রভাতী সংঘ এবং দেশপ্রাণ ব্লকের মীর্জাপুর সম্মিলিত যুবগোষ্ঠীর উদ্যোগে দুর্গাপুজোর উদ্বোধণ কর্মসূচি সম্পন্ন হল। এই সংঘের পুজো এ বছর ১৯- এ পা দিল। পুজো উপলক্ষ্যে মহালয়া থেকে লাগাতার ১২ দিন মেলা বসে। এছাড়া নানা অনুষ্ঠান এবং কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়। এমনটাই জানা গেল সংঘের সম্পাদক তথা কুসুমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অখিলেশ পান্ডার সূত্র থেকে। ওদিকে,মীর্জাপুর সম্মিলিত যুবগোষ্ঠীর পুজো এবছর ৪৩ এ পদার্পন করল। এখানে পুজো উপলক্ষ্যে ১০ দিনের মেলা বসে। এরসঙ্গে সমানতালে চলে নানা অনুষ্ঠান এবং সমাজসেবামূলক কর্মসূচি,জানালেন মীর্জাপুর সম্মিলিত যুবগোষ্ঠীর সভাপতি সৌমিক দাস। তবে জেলার সমস্ত ছোট বড় পুজো যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়,সেদিন সমান নজর থাকে শুভেন্দু বাবুর। পুজোর সময়ে জেলায় বাড়তি নিরাপত্তা দিতে তাঁর কড়া নিদান রয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে। পূর্ব মেদিনীপুর যে শুভেন্দু-ময় একথা নিঃসন্দেহেই বলা যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!