এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পুজোর মুখেই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় নির্দেশিকা কলকাতা হাইকোর্টের

পুজোর মুখেই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় নির্দেশিকা কলকাতা হাইকোর্টের

Priyo Bandhu Media


রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এবার পুজোর মরশুমে এলো খুশির খবর। হাইকোর্টের নির্দেশে এবার স্কুলগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ করতেই হবে। শিক্ষক পদপ্রার্থীদের করা মামলার রায় হিসাবে এদিন হাইকোর্ট এই উল্লেখযোগ্য অর্ডারটি দেয়, যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের মনে। শিক্ষক নিয়োগে এবার হাইকোর্টের নির্দেশ – উচ্চমাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

এই নিয়ে শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারক মৌসুমি ভট্টাচার্যের সিঙ্গেল বেঞ্চ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে এই নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে। আদালত থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী 7 দিনের মধ্যে এই মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। মেধা তালিকা প্রকাশ করার পর কোনো পরীক্ষার্থীর যদি তালিকা নিয়ে সংশয় থাকে তাহলে তিন সপ্তাহের মধ্যে এসএসসির কাছে আবেদন করা যাবে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আবেদনটি অবশ্য স্কুল সার্ভিস কমিশনকেই দেখতে হবে নিষ্পত্তির জন‍্য। তাছাড়া নিয়ম অনুযায়ী তালিকায় থাকতে হবে টেট নম্বর, শিক্ষাগত নম্বর, প্রফেশনাল নম্বর, ইন্টারভিউয়ের নম্বর ইত্যাদি। পাশাপাশি কোর্ট অনুমতি না দিলে, কাউকে নিয়োগ কিংবা কাউন্সেলিং করানো যাবে না। গত 2012 এবং 2015 সালে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষা হয়। এরপর 2016 সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়‌। এসএসসি কাউন্সেলিংয়ে বহু প্রার্থী বাদ পড়ে।

এদের মধ্যেই বেশ কিছু জন কলকাতা হাইকোর্টে এই নিয়ে একটি মামলা করেন। দীর্ঘ সময় মামলা চলার পর ফল প্রকাশ হয়েছে। আদালতের এই নির্দেশের ফলে দারুণ খুশি অসংখ্য আবেদনকারী। হাইকোর্টের রায়ে আপাতত চুপ রাজ্য সরকার বা শিক্ষাদপ্তর। তাঁদের তরফ থেকে কোনো রকম বিবৃতি জারি হয়নি এখনো অবধি। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, হাইকোর্ট আরো একবার রাজ্য সরকারকে তাঁর নিজস্ব চিন্তা ধারাকে বদলাতে বাধ্য করল। হাইকোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!