এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ব্যাংক প্রতারণায় এবার কলকাতায় হানা দেওয়া শুরু ইডির, বাজেয়াপ্ত 92 কোটি টাকার সম্পত্তি

ব্যাংক প্রতারণায় এবার কলকাতায় হানা দেওয়া শুরু ইডির, বাজেয়াপ্ত 92 কোটি টাকার সম্পত্তি

এবার ইডির জালে কলকাতার একটি নামী কোম্পানি। সূত্রের খবর, ব্যাংক প্রতারণার অভিযোগে কলকাতার একটি নামী কোম্পানির 92 কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর বাজেয়াপ্ত করার মধ্যে একাধিক পাঁচতারা হোটেল এবং জমি যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনই সেই সংস্থার বিরুদ্ধে প্রায় 550 কোটি টাকা ব্যাংক প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে ইডির কাছে।

জানা গেছে, প্রথমে এই নামী কোম্পানির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের কাছে একটি অভিযোগ জমা পরলে এই ব্যাপারে তাদের তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই কোম্পানির রোলিং মিল এবং রডের ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসা বাড়ানোর জন্য ওই সংস্থাটি মোট আটটি ব্যাংক থেকে 550 কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট দেখাতে শুরু করে।

কিন্তু সেই টাকা ঠিকমতো জমা না পড়াতেই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করলে দেখা যায় যে এই সংস্থাটি তাদের টাকা সরিয়ে ফেলেছে। এমনকি কোম্পানির মন্দা চলছে দেখিয়ে সেই টাকাও তারা শোধ করেনি। আর এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের কাছে এই ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করা হলে তারা ব্যাংক জালিয়াতি মামলা রুজু করে এই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিকে তদন্ত শুরু করতে গিয়েই তদন্তকারী আধিকারিকরা দেখতে পান যে, যে প্রজেক্ট দেখিয়ে ঋণ নেওয়া হয়েছে তার একটি পয়সাও সেখানে খরচ করা হয়নি। আর এরপরই তদন্তকারীদের মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তাহলে এত পরিমান টাকা গেল কোথায়! আর সেই রহস্য উদঘাটন করতে গিয়েই দেখা যায় যে, এই কোম্পানির তিনটি পাঁচতারা হোটেল, তিনটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট এবং একাধিক জায়গায় অনেক জমি রয়েছে।

পাশাপাশি একাধিক ভুয়ো লেনদেনের সঙ্গেও জড়িত এই কোম্পানি বলে অভিযোগও উঠেছে। আর এরপরই সেই সম্পত্তি ঠিক কোথায় কোথায় রয়েছে, তার একটি তালিকা তৈরি করে সেগুলো চিহ্নিত করা হয় তদন্তকারীদের তরফে। যারপরই সমস্ত নথি হাতে নিয়ে সেগুলো বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!