এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কথা দিয়ে কথা রাখল না কেএমডিএ! পুজোর মরসুমেও বেতনহীন বহু কর্মী!

কথা দিয়ে কথা রাখল না কেএমডিএ! পুজোর মরসুমেও বেতনহীন বহু কর্মী!

Priyo Bandhu Media

কথা দিয়েও কথা রাখতে পারল না কলকাতা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। অরবিন্দ সেতুর সংস্কারের কাজ শেষ করে ওই জায়গায় ব্যবসায়ীদের তিন মাসের মধ্যে ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রায় এক বছর কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত সেই কাজ না এগোনোয় কেএমডিএর ভূমিকা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। যার ফলে বিপাকে পড়েছেন 24 জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। পুজোর মরশুমে ঠিকমতো বেতন না পাওয়ায় সংকটজনক পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাঝেরহাটের ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার পরই কেএমডিএর ইঞ্জিনিয়াররা অরবিন্দ সেতুর অবস্থা খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। যেখানে আধিকারিকরা বুঝতে পারেন যে, সেতুর অবস্থা খারাপ না হলেও বেশিরভাগ বিয়ারিংগুলোতে মরচে ধরতে শুরু করেছে। যার ফলে যেকোনো সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আর তাই দুর্ঘটনার আশঙ্কা করে সেই সময়ই এই অরবিন্দ সেতুর নিচে থাকা ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করে দেওয়া হয় কেএমডিএর তরফে। তবে ব্যবসায়ীদের তিন মাসের মধ্যে তাদের নিজেদের জায়গা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত সেই কাজ শুরু না হওয়ায় রীতিমত ব্যবসায়ীদের মনে ক্ষোভ জমতে শুরু করেছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে উল্টোডাঙ্গা মিনি ইন্ডাস্ট্রিজ স্মল স্কেল ইউনিট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক চঞ্চল দে বলেন, “ডানলোপের দোতলা ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সেটিকে সামান্য সংস্কার করে আমাদের সেখানে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। তবে তিন মাসের মধ্যে সংস্কার করে ফের সেতুর তলায় আগের জায়গাতেই আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজ এখনও শুরু হয়নি। আমরা 40 বছর ধরে ব্যবসা করছি। লিজ অনুযায়ী ভাড়া দিয়ে আসছি। ডানলোপের বাড়িটি শহর থেকে অনেকটা দূরে হওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি। কারণ অত দূরে গিয়ে অনেকেই ব্যবসার মালপত্র নিতে চাইছেন না। আর ওই বাড়িতে পর্যাপ্ত বিদ্যুতের সংযোগ নেই। ব্যবসা পরিচালনার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।”

কিন্তু কেএমডিএ কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের তিন মাসের মধ্যে সেতুর নিচের জায়গা ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বললেও কেন এখনও সেই কাজ শুরু হয়নি! কেন এভাবে ব্যবসায়ীদের সর্বনাশ করা হচ্ছে! এদিন এই প্রসঙ্গে ডব্লুবিএসআইডিসির বিপ্লব রায় চৌধুরী বলেন, “অরবিন্দ সেতুর অবস্থা খারাপ হওয়ার জেরেই সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। প্রথম থেকেই আমি বিষয়টিতে রয়েছি। ব্যবসায়ীদের যে সমস্যা হচ্ছে তা আমি নিজেও বুঝতে পারছি। ফিরহাদ হাকিম বিদেশ থেকে ফিরলে আমি তার সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব।”

একইভাবে তিনি কলকাতায় ফিরে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সব মিলিয়ে এবার ব্যবসায়ীদের দৈন্যদশা কাটিয়ে কেএমডিএ কবে ব্যবসায়ীদের জায়গা ফিরিয়ে দেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!