এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > “কাটমানি” নিয়ে উত্তাল তৃণমূলের অন্দরেই, ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ নামলেন পার্থ চ্যাটার্জি, শাক দিয়ে মাছ ঢাকছে দাবি বিরোধীদের

“কাটমানি” নিয়ে উত্তাল তৃণমূলের অন্দরেই, ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ নামলেন পার্থ চ্যাটার্জি, শাক দিয়ে মাছ ঢাকছে দাবি বিরোধীদের

লোকসভা ভোটে শাসকদলের আশা পূর্ণ হয়নি। 42 টি আসন দখল করার কথা বললেও মোটে 22 টি আসন দখল করেই শান্ত থাকতে হয়েছে তৃনমূলকে। আর কেন দলের এই খারাপ ফলাফল হল, তা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে নানা বিশ্লেষণও করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যার মধ্যে খারাপ ফলাফলের কারণ হিসেবে নিচুতলার কর্মীদের একাংশের দুর্নীতি উঠে এসেছে। আর এই ঘটনার আভাস পাওয়ার পরই তা নিয়ে দলীয় বৈঠকে সকল নেতৃত্বদের সতর্ক করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি গত 18 ই জুন নজরুল মঞ্চে দলের কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, কেউ যদি কোনো কমিশন খান তা বরদাস্ত করা হবে না।

সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কেউ যদি টাকা নেন তাহলে তা ফেরত দিতে হবে। আর তৃনমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এহেন হুঁশিয়ারি মূলক বার্তাকে কেন্দ্র করেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল নেতাদের কাছে দেওয়া টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে তীব্র বিক্ষোভ সংগঠিত হতে শুরু করে।

কিছু কিছু জায়গায় শাসক দলের নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করে টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান সাধারন মানুষ। আর এই পরিস্থিতিতে যখন তৃণমূল বড়ই অস্বস্তিতে পড়েছে, ঠিক তখনই এই ব্যাপারে এবার ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ময়দানে নামতে দেখা গেল রাজ্যের শাসক দলকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, রবিবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য মিডিয়ার একাংশ বিকৃত করছে। দলে 99.99 শতাংশ নেতাই সৎ এবং পরিশ্রমী। তারা উন্নয়নের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। অন্য দল থেকে আসা কিছু লোক এখন তৃণমূলের নাম লেখাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য অসৎ এবং কায়েমী স্বার্থ আছে। তারা অপরাধ করে ভাবছে পার পেয়ে যাবে, কিন্তু বিজেপিতে গেলেও অপরাধীরা কেউ ছাড় পাবে না।”

এদিকে তৃণমূল মহাসচিবের হঠাৎ এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করেই এখন রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। বিরোধীদের অনেকেই বলছেন, আসলে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী দলের নেতাকর্মীদের কাটমানি খাওয়া বরদাস্ত করা হবে না বলেই বলার পরই যেভাবে জেলায় জেলায় তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে, তাতে শাসক দল অনেকটাই চাপে পড়েছে। আর তাইতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে তাদের সিংহভাগ নেতাই সৎ বলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

অন্যদিকে অনেকে আবার বলছেন, যেভাবে সাধারণ মানুষ নিজেদের টাকা ফেরত চেয়ে তৃণমূলের নেতাদের প্রতি বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তাতে তৃণমূল যেমন চাপে পড়েছে, ঠিক তেমনই দুর্নীতি ছাড়া তারা যে বাঁচতে পারবে না তা ভেবেই সব নেতাদের সৎ বলতে শুরু করেছেন তৃণমূল মহাসচিব। সব মিলিয়ে এবার কাটমানি নিয়ে উত্তাল শাসকদলের অন্দরমহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!