এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কাটমানি ও কমিশন খাওয়া কি তৃণমূলের রন্ধ্রে রন্ধ্রে? “নজরদারি সেল” করে জল্পনা বাড়ালেন মমতাই

কাটমানি ও কমিশন খাওয়া কি তৃণমূলের রন্ধ্রে রন্ধ্রে? “নজরদারি সেল” করে জল্পনা বাড়ালেন মমতাই

বিগত বাম সরকারের আমলে গণতন্ত্র নেই বলে সারা রাজ্যজুড়ে আলোড়ন তুলে দিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী তথা আজকের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ক্ষমতায় আসতে না আসতেই সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও এখন দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

গত 2011 সাল থেকে তৃণমূল রাজ্যে ভালো ফল করলেও মানুষের চাপা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে। যেখানে নীচুতলায় তৃণমূল কর্মীদের দুর্নীতি, সাধারণ মানুষের সাথে দুর্ব্যবহার তৃণমূলের জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে ফলাফল পর্যালোচনা বৈঠকে উঠে এসেছে। কিন্তু এত কিছুর পরও কি শুভবুদ্ধির উদয় হবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্নীতি এখন তৃণমূলের এতটাই গভীরে প্রবেশ করেছে যে তা কন্ট্রোল করার ক্ষমতাই নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ফলে এবার সাধারন মানুষ যাতে নীচুতলায় তৃণমূল কর্মীদের দুর্নীতির শিকার না হন, তার জন্য নবান্নের প্রশাসনিক রিভিউ মিটিং থেকে সেই সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে সরাসরি টোল ফ্রি নম্বরে অভিযোগ জানানোর কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গেছে, “মনিটরিং সেল অন প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড গ্রিভ্যান্সেস” নামক এ কর্মসূচির একদম শীর্ষে বসানো হয়েছে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন সেনা আধিকারিক কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরীকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, অভিযোগ জানানোর টোল ফ্রি নম্বর হল 18003458244 এবং 9073300528 নম্বরে মেসেজ করেও সরকারি প্রকল্প না পাওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এছাড়াও wbcmro@gmail.com ইমেইল মারফতও অভিযোগ জানানো যাবে। কিন্তু হঠাৎ মুখ্যমন্ত্রী এই নম্বর এবং ইমেইল চালু করে সাধারণ মানুষকে প্রকল্পের ব্যাপারে সমস্যা জানানোর কথা বললেন কেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কথায় আছে, ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পেরেছেন, এসসি, এসটির ফর্ম থেকে শুরু করে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, সমব্যথী, বৈতরণী সমস্ত প্রকল্পে তার দলের নিচুতলার কর্মীদের কাঠমানি না দিলে সেই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায় না। আর এর জেরে লোকসভা নির্বাচনে দলের এই খারাপ ফলাফল বিধানসভায় যাতে না হয়, তার জন্য এখন থেকেই একদিকে দলীয় কর্মীদের হাত যেমন বাঁধার চেষ্টা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক তেমনই সরকারি প্রকল্পের সমস্ত অসুবিধায় সাধারণ মানুষকে সরাসরি ফোন মারফত জানানোর নির্দেশ দিলেন তিনি।

কিন্তু প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন এই ব্যাপারে কোনো নজর না রাখায় তার দলের কর্মীরা সরকারি প্রকল্পে সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে কাঠমানি খেলেও এবার সেই তৃণমূল কর্মীদের লোভের জিভ কেটে দিতে পারেন কিনা তৃণমূল নেত্রী, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!