এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কাটমানি রুখতে ও সাধারণের অভাব-অভিযোগ জানতে এবার থেকে নিয়ম করে জনতার দরবারে ডিএম থেকে বিডিও

কাটমানি রুখতে ও সাধারণের অভাব-অভিযোগ জানতে এবার থেকে নিয়ম করে জনতার দরবারে ডিএম থেকে বিডিও

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীরা দুর্নীতিতে জড়িত বলে বিভিন্ন সময়ই অভিযোগ আসতে দেখা যেত। আর এই অভিযোগের যে কিছুটা হলেও সত্যতা রয়েছে, তা লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফলেই প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। আর তারপরই এই দুর্নীতি বন্ধ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কড়া হুশিয়ারি দিতে দেখা গেছে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

সম্প্রতি কাটমানি নিয়ে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছেন। আর এবার সাধারন মানুষের অভাব অভিযোগ শুনে তা নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগী হচ্ছে রাজ্যের বর্তমান তৃনমূল সরকার। জানা গেছে, আগামী জুলাই মাস থেকে সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার জেলাশাসক, মহকুমা শাসক এবং বিডিওরা নিজের দপ্তরে বসে আমজনতার সমস্ত সমস্যার কথা শুনবেন। এমনকি মানুষের পক্ষ থেকে সেই নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর তা দ্রুত যাতে মিটিয়ে ফেলা যায়, তার জন্যও উদ্যোগী হবেন তারা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, এই গোটা প্রক্রিয়াটার নাম দেওয়া হয়েছে “গ্রিভান্স ডে।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সরকারি পরিষেবা থেকে যাতে কেউ বঞ্চিত না হন এবং কেউ যাতে টাকার বিনিময়ে সাধারণ মানুষকে ক্ষতির মুখে ঠেলে না দেন, তার জন্য গত 10 জুন নবান্নে সরাসরি অভিযোগ জানাতে একটি টোল ফ্রি নাম্বার ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা তদারকি করার দায়িত্ব ছিল অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরীর।

কিন্তু এবার জেলার প্রশাসনিক কর্তারা সাধারণ মানুষের সমস্ত অভিযোগ শুনে যাতে দ্রুত তা মেটাতে পারেন তার জন্যও সরকারের পক্ষ থেকে এই “গ্রিভ্যান্স ডের” ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বস্তুত, মুখ্যমন্ত্রীর কানে ইতিমধ্যেই এসে পৌঁছেছে যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কাটমানি খাওয়ার বাড়বাড়ন্ত বেড়েছে। আর তাই তো কদিন আগে এই ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি কিন্তু এবার সাধারণ মানুষ যাতে কোনরূপ অসুবিধায় না পারেন তার জন্যই সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাংশ।

জানা গেছে, এক ঝাঁক অরাজনৈতিক যুবক-যুবতীরা এই গ্রিভান্স সেলের সঙ্গে যুক্ত থেকে দুর্নীতির উৎস সন্ধানে বিভিন্ন জেলায় জেলায় ঘুরবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই দুর্নীতি রোধে সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি উদ্যোগ কতটা কার্যকরী হয় এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!