এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করুণানিধির মৃত্যু নিয়েও চরম রাজনীতি – মধ্যরাতে আদালতের দরজায় সবপক্ষ

করুণানিধির মৃত্যু নিয়েও চরম রাজনীতি – মধ্যরাতে আদালতের দরজায় সবপক্ষ

মঙ্গলবার সন্ধে নাগাদ মৃত্যু হলো তামিলনাড়ুর পাঁচবারের মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধির। প্রবীন এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুর পরেই শুরু হলো নতুন রাজনৈতিক জটিলতা। ডিএমকে দলের পক্ষ থেকে করুণানিধির পুত্র এমকে স্তালিন ঐ রাজ্যের এআইএডিএমকে সরকারের কাছে আবেদন করেন যাতে কলাইগনরকে মারিনা বিচেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অন্তিম সংস্কার করা যায়। কিন্তু নানারকম আইনী অজুহাত দেখিয়ে সেই আবেদন নাকচ করে দিলেন ই পলানিস্বামী পরিচালিত এআইএডিএমকে সরকার।

পরিবর্তে চেন্নাইয়ের গান্ধী মন্ডপনের কাছে দুই একর জমি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সরকারের এই প্রস্তাবে যথারীতি সায় দিলো না ডিএমকে দল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ডিএমকে-র প্রতিষ্ঠাতা আন্নাদুরাইয়ের অন্তিম সংস্কার হয়েছে মারিনা বিচে।এমনকি সেখানে বিরোধী নেতা এমজি রামচন্দ্রণ ও জে জয়ললিতাকেও সমাধিস্থ করা হয়েছে। অথচ রাজ্যের পাঁচবারের মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির অন্তিম সংস্কারের জন্যে রাজ্য সরকার অনুমতি দিচ্ছেনা। সরকারী সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে ডিএমকে এদিন রাতেই মাদ্রাজ হাইকোর্টে আবেদন করে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

আদালতের মুখ্য বিচারপতি হুলুভাড়ি জি রমেশ এই মামলার শুনানি রাতেই শোনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরফলে আদালতে সরকার পক্ষের আইনজীবি এবং ডিএমকে দলের আইনজীবির মধ্যে জোর আইনী তরজা শুরু হয়। এদিকে রাজ্যের অধিকাংশ মানুষ করুণানিধিকে মারিনা বিচে সমাধিস্থ করার দাবিতে সরব হয়ে ওঠে। রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্থানে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে পুলিশ চার্জ করতে বাধ্য হয় বলেও জানা গিয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, অভিনেতা রজনীকান্ত সহ আরও অনেকেই করুণানিধির অন্তিম সংস্কার মারিনা বিচকেই ধার্য করা হোক জানিয়ে ঐ রাজ্যের সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!