এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > এবার কার্তিক পুজোতোও ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা

এবার কার্তিক পুজোতোও ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। আর তাই দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যে এসে পড়েছে কার্তিক, জগদ্ধাত্রী এবং দীপাবলির মত উৎসবগুলি। কিন্তু এবারে প্রায় সব পুজোতেই বাড়তি নজর রাখছে রাজ্য সরকার। কোন রকম অসুবিধের সম্মুখীন যাতে জনসাধারণকে হতে না হয় সেই কারণেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।

কিছুদিন আগেই সমাপ্ত হওয়া বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোতে বিভিন্ন পুজো মন্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা বা ড্রোনের নজরদারির ব্যবস্থা দেখেছে প্রত্যেকেই। আর এবারে সেই বজ্র আঁটুনি নিরাপত্তা’র নিদর্শন দেখা যাবে আসন্ন কার্তিক পুজোতেও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রতিবারের ন্যায় এবারও হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় খুব জমজমাট করে পালিত হবে কার্তিকপুজো।

জানা গেছে, সাহাগঞ্জ বাঁশবেরিয়া কেন্দ্রীয় কার্তিক পুজোর আওতায় মোট 100 টি পুজো হয়। তবে যেহেতু এবারে কার্তিক এবং জগদ্ধাত্রী দুটো পুজোই একসাথে চলবে, তাই বাড়তি নিরাপত্তা নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশ, পুরসভা ও কেন্দ্রীয় কমিটির এক বৈঠকে এই নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়।

এদিনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার, পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরীকান্ত মুখোপাধ্যায়, বাঁশবেড়িয়ার চেয়ারম্যান অরিজিতা শীল, মগরা থানার ওসি, চন্দননগর কমিশনারেট এসিপি,দমকল, বিদ্যুৎ এবং পুর দপ্তরের কর্মীরা।

জানা গেছে, এবার পুজোয় পুরসভার পক্ষ থেকে নজরদারির জন্য 50 টি স্থায়ী সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো ছাড়াও শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে জেলা পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে লাগানো হবে সিসিটিভি। পাশাপাশি 20 শে নভেম্বর বিসর্জনের শোভাযাত্রায় যাতে কোনরূপ অশান্তির এবং দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা দল বিভিন্ন ঘাটে প্রস্তুত থাকবে।

শুধু তাই নয়, দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে কার্তিক পুজোর আগের দিন থেকে বিসর্জনের দিন বিকাল 4 টা থেকে পরদিন ভোর ছয়টা পর্যন্ত শহরের সমস্ত রাস্তায় যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করেছে পুলিশ। এদিকে আগামী 10 নভেম্বর পর্যন্ত এই পুজোর অনুমতি নেওয়া যাবে বলে ঘোষণা করেছে পুরসভা। জানা গেছে, পুজো কমিটিগুলো নিজস্ব থানায় গিয়ে বিভিন্ন বিভাগের ছাড়পত্রের কাগজ জমা দিয়ে জেলা পুলিশ বা কমিশনারেটের কাছ থেকে তাদের নিজস্ব পুজোর অনুমোদন নিতে পারবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এ প্রসঙ্গে বাঁশবেড়িয়ার চেয়ারম্যান অরিজিতা শীল বলেন, “প্রতি বছরের মতো এবারও পুজো কমিটি ও দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য পুরসভা সবরকম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।” সব মিলিয়ে দুর্গাপুজোর পর এবার জেলায় কার্তিক ও জগদ্ধাত্রী পুজোতেও প্রশাসনের তীব্র তৎপরতা চোখে পড়ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!