এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মাত্র ১ ভোটে আটকে কর্ণাটকের ভাগ্য? তাই কি আসরে স্ট্রেচার? জানুন বিস্তারিত

মাত্র ১ ভোটে আটকে কর্ণাটকের ভাগ্য? তাই কি আসরে স্ট্রেচার? জানুন বিস্তারিত



কর্ণাটকের রাজনীতির ভাগ্য আপাতত আটকে ১ টি ভোটার উপরে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষ্যজ্ঞরা – আর তাই কংগ্রেস বিধায়ক শ্ৰীমন্ত পাতিল কিভাবে স্ট্রেচারের উপর শুয়ে আছেন অর্থাৎ তাঁর অসুস্থতা সত্যিই কতটা গুরুতর তাই নিয়েই চলছে বিধানসভায় তুমুল আলোচনা! কেন মাত্র ১ ভোট বলা হচ্ছে? দেখে নিন নিচের সমীকরণ –

কর্ণাটক বিধানসভার মোট বিধায়ক সংখ্যা ২২৫, তার মধ্যে ২২৪ জন নির্বাচিত হন ও একজন রাজ্যপাল মনোনীত হন। এই ২২৫ জনের মধ্যে কোন পক্ষে কতজন দেখে নিন –

সরকার পক্ষ –
কংগ্রেস – ৭৯ (স্পিকার ও বিদ্রোহী ১৩ জন বিধায়ককে ধরে)
জেডিএস – ৩৭ ( বিদ্রোহী ৩ জন বিধায়ককে ধরে)
বিএসপি – ১
মোট – ১১৬ (স্পিকার ভোট দেবেন একমাত্র টাই হলে)

বিরোধী পক্ষ –
বিজেপি – ১০৫
কেপিজেপি – ১
নির্দল – ১
মোট – ১০৭

অন্যান্য – ১ (রাজ্যপাল মনোনীত বিধায়ক ভিনিশা নেরো)


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী বিদ্রোহী ১৬ জন বিধায়কের মধ্যে কংগ্রেসের দুই বিধায়ক – আর রামালিঙ্গা ও আর রোশন ব্যাঙ্গালোরে ফিরে এসেছেন। খুব সম্ভবত তাঁরা বিধানসভায় সরকারের পক্ষেই ভোট দিতে চলেছেন। অর্থাৎ সেক্ষত্রে সরকারের বর্তমান শক্তি দাঁড়াচ্ছে – কংগ্রেস – ৬৭ + জেডিএস – ৩৪ + বিএসপি – ১ = মোট – ১০২। অন্যদিকে বিরোধীদের বর্তমান বিধায়ক সংখ্যা ১০৭ – তাই বিজেপির দাবি সরকারের পতন হচ্ছেই।

কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী এখনও দাবি করছেন তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান করবেন। কিন্তু কোন অঙ্কে? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এক্ষেত্রে বিরোধী জোটের দুই বিধায়ক (একজন কেপিজিপির ও অন্যজন নির্দল) সরকারের পাশে দাঁড়াতে পারেন। অন্যদিকে, বড় ভূমিকা নিতে পারেন – রাজ্যপাল মনোনীত বিধায়ক ভিনিশা নেরো। তিনি রাজ্যপাল মনোনীত হলেও, পূর্ববর্তী সিদ্দারামাইয়ার সরকারের পাঁচ বছর ধরে মন্ত্রিত্ব সামলেছেন। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই তিনি সমর্থন করবেন সরকারকে।

আর এক্ষেত্রে তাহলে সরকার পক্ষের মোট শক্তি দাঁড়াতে পারে – কংগ্রেস – ৬৭ + জেডিএস – ৩৪ + বিএসপি – ১ + কেপিজেপি – ১ + নির্দল – ১ = মোট – ১০৫। আর বিরোধী, বিজেপি বিধায়কের সংখ্যাও দাঁড়াচ্ছে – ১০৫। অর্থাৎ টাই – সেক্ষত্রে নির্ণায়ক ভোট দেবেন স্পিকার – কংগ্রেসের টিকিটে জেতা স্পিকার যে সরকার বাঁচাতেই ভোট দেবেন, সেটা নিশ্চিত। ফলে বেঁচে যাবে কুমারস্বামীর সরকার।

কিন্তু, বর্তমানে ‘বুকে ব্যাথা’ নিয়ে মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কংগ্রেস বিধায়ক শ্ৰীমন্ত পাতিল। তাঁকে চিকিৎসার জন্য মুম্বইয়ের মেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার থেকে, মুম্বইয়েরই সেন্ট জর্জ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। এদিকে, যে গেস্ট হাউসে কংগ্রেস বিধায়কদের রাখা হয়েছিল, তার পাছেই ছিল হাসপাতাল। কিন্তু তিনি সেখানে না ভর্তি হয়ে সুদূর মুম্বইয়ে কেন ভর্তি হতে গেলেন তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এখন, কংগ্রেস বিধায়ক শ্ৰীমন্ত পাতিল কোনোমতে ফ্লোর টেস্টের সময় পৌঁছাতে না পারলে সেক্ষেত্রে সরকারের শক্তি হবে ১০৪ এবং বিরোধীদের শক্তি হবে ১০৫ – অর্থাৎ মাত্র ১ ভোটে পতন হবে কুমারস্বামী সরকারের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!