এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কর্নাটকে জোট সরকারের বড়সড় ধাক্কা, বিজেপির ভাগ্য খুলছে? জোর শোরগোল

কর্নাটকে জোট সরকারের বড়সড় ধাক্কা, বিজেপির ভাগ্য খুলছে? জোর শোরগোল

 

বিজেপিকে রুখতে তারা একসাথে সরকার গঠন করলেও প্রথম থেকেই দুই দলের মধ্যে তীব্র মতানৈক্য তৈরি হয়েছিল। আর এবার ফের কর্ণাটকের কংগ্রেস – জেডিএস জোটে বড়সড় ধাক্কা এল। জানা গেছে, সোমবার কর্ণাটক বিধানসভার অধিবেশন শুরু হতেই স্পিকারের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন বিজয়নগরের কংগ্রেস বিধায়ক আনন্দ সিংহ। এদিকে এরপরই জেডিএসের বিধায়ক রমেশ জারকিহোলিও তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দেন।

এমনকি এই ঘটনার পরই কর্নাটকের এই জোট সরকারের মধ্যে থেকে আরও 5 বিধায়ক পদত্যাগ করতে চলেছে বলে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়ায়। যার জেরে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েন জেডিএস এবং কংগ্রেসের নেতারা। কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা সিদ্দারামাইয়া নিজের বাড়িতে দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন।

অন্যদিকে মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আমেরিকা যাওয়া কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী সেখান থেকেই টুইটে বলেন, “রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের খবর পেয়েছি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।”

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিকে জোট সরকারের একের পর এক বিধায়ক তাদের ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ায় পাল্টা এই ব্যাপারে বিজেপিও তাদের ঘুটি সাজাতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস এবং জেডিএসের তরফে কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বিএস ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বস্তুত, এই কর্নাটকে 113 হল ম্যাজিক ফিগার। কংগ্রেস এবং জেডিএসের মিলিত বিধায়ক সংখ্যা 117। যার মধ্যে দুজন বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন, এবং আরও পাঁচজন বিধায়কের পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। আর যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে কর্নাটকে কংগ্রেস এবং জেডিএসের পক্ষে তাদের জোট সরকার টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত সমস্যার হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ফলে সেদিক থেকে নিজেদের দখলে থাকা 104 বিধায়কের সঙ্গে বিজেপি যদি তাদের দিকে আরও 9 জন বিধায়ক নিয়ে আসতে পারে, তাহলে এই সরকার বিজেপির পক্ষে দখল করা শুধুই সময়ের অপেক্ষা বলে দাবি একাংশের।

পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, যেভাবে প্রথম থেকে কর্নাটকে কংগ্রেস এবং জেডিএসের মধ্যে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে এবং তার জেরে সেই সরকারে ফাটল দেখা দিয়েছে। তাতে এবার হয়ত যবনিকা পতন হতে পারে। কেননা একের পর এক বিধায়কের ইস্তফা বিজেপিকে ক্ষমতা দখলের অনেকটা কাছাকাছি পৌঁছে দিতে পারে। তবে কোন পথে এগোয় কর্নাটকের রাজনীতি, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!