এখন পড়ছেন
হোম > চাকরি > জেনারেল নলেজ > কামিনী রায়ের জন্মদিনে গুগলের শ্রদ্ধার্ঘ্য,

কামিনী রায়ের জন্মদিনে গুগলের শ্রদ্ধার্ঘ্য,

‘সুখ সুখ করি কেঁদোনা আর/ যতই কাঁদিবে যতই ভাবিবে/ ততই বাড়িবে হৃদয়ভার।’ এই সুন্দর কথাটিকে কবিতার মাধ্যমে লিখেছিলেন যিনি, তিনি হচ্ছেন কামিনী রায়। আজ তার জন্মদিন। 155 বছরের জন্মদিনে বিশেষ ডুডলের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়েছে গুগল। কামিনী রায় হলেন দেশের প্রথম মহিলা স্নাতক। তিনি সংস্কৃতয় স্নাতক মর্যাদা অর্জন করেছিলেন।

কামিনী রায়ের জন্ম 1864 সালের 12 ই অক্টোবর, ঢাকার বরিশালে। পরাধীন ভারতে যখন মহিলাদের কোনরকম স্বাধীনতাই ছিল না, না পড়াশোনা না সমাজে খোলামেলা ভাবে মেলামেশার, সেইসময় কোনকিছুর পরোয়া না করে স্নাতক হন তিনি। স্নাতক পাস করেই তিনি ওই বছরই বেথুন স্কুলে পড়ানো শুরু করেন। পাঁচ বছর পর বেথুন কলেজে অধ্যাপনায় নিযুক্ত হন তিনি।

সর্বদা কামিনী রায় চিন্তা করতেন, কিভাবে মেয়েদের পড়াশোনায় আরো বেশি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। কিভাবে মেয়েরা স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারে‌। তিনি তাঁর চিন্তাকে শুধুমাত্র মনোজগতে আটকে রাখেননি, বাস্তবায়িত করার জন্য যাবতীয় প্রয়াস তিনি করেছেন। ছোট বয়স থেকেই কবিতা লেখার প্রতি তাঁর প্রবল আগ্রহ ছিল। বয়সের সাথে সাথে একাধিক কবিতা তিনি রচনা করেন। কলেজে শিক্ষকতার সময়ই তাঁর লেখা প্রথম বই প্রকাশ পায়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু রচনাবলী হল, ‘আলো ও ছায়া’, ‘মাল্য ও নির্মাল্য’ ইত্যাদি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

কামিনী রায় রবীন্দ্র সমকালের মানুষ ছিলেন। কবির সঙ্গেও তাঁর একটা অম্ল মধুর সম্পর্ক ছিল। কামিনী রায়ের কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে স্বয়ং কবি রবীন্দ্রনাথ বিভিন্ন ব‍্যক্তিত্বের সাথে আলোচনা করেছেন।

কামিনী রায় তাঁর বেশ কিছু কবিতা লিখেছিলেন ‘জনৈক বঙ্গমহিলা’ ছদ্মনামে। শুধুমাত্র সাহিত্যচর্চাতেই তিনি নিজেকে আটকে রাখেননি, পাশাপাশি তিনি সাংস্কৃতিক ও জনহিতকর কাজে বিশেষ করে নারী কল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিযুক্ত করেছিলেন। উল্লেখ্য, নারী শ্রমিক তদন্ত কমিশনের অন্যতম সদস্য ছিলেন কামিনী রায়। এছাড়াও বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সাহিত্য শাখার সভানেত্রী ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতিও ছিলেন কামিনী রায়। এখানেই শেষ নয়, 1926 সালে ভারতে মহিলাদের ভোটদানের অধিকার এর জন্য ব্রিটিশ রাজের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন তিনি।

আমাদের সমাজে এখন খুব সহজ কতগুলো শব্দ জুড়ে গেছে। মন খারাপ, বিষন্নতা, আত্মহত্যা এগুলো খুব চেনা হয়ে গেছে। কথায় কথায় যুবসমাজ আজ আত্মহননের পথ খোঁজে। মন খারাপের তো কোন কারণ আজকাল হয় না। বলা যায় আজকের শৈশব অনেক বেশি বিপন্ন। যদি এই মানসিক সমস্ত অবসাদ থেকে কেউ বেরোতে চায়, তাহলে তাঁর অবশ‍্যই কামিনী রায়ের কবিতাগুলি একবার খুঁটিয়ে পড়া জরুরী। যা তিনি লিখে গিয়েছেন 86 বছর আগেই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!