এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে তৃণমূলের আক্রমনের মুখে জয় ব্যানার্জি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা

আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে তৃণমূলের আক্রমনের মুখে জয় ব্যানার্জি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা



গত ১৫ ই সেপ্টেম্বর বোরো চাষের ফৰ্ম বিলি নিয়ে তীব্র গন্ডগোল হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থানা এলাকায়। বিজেপির অভিযোগ, ইচ্ছা-প্রণোদিতভাবে বিজেপি করার ‘অপরাধে’ গেরুয়া শিবিরের সমর্থকদের বঞ্চিত করা হচ্ছিল। সেই প্রসঙ্গেই বচসা বাঁধে, কিন্তু সেই বচসা থেকে গন্ডগোল তীব্র আকার ধারণ করে। ওই ঘটনার রেশ টেনে এরপর বিজেপি-কর্মীদের উপর তীব্র আক্রমন নেমে আসে বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর থেকেই গ্রাম কার্যত পুরুষ-শূন্য। ওই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পরিবারে এখন শুধু মহিলারা আছেন এবং তাঁরাও আতঙ্কে কাঁপছেন, কথা বলার মত জায়গায় নেই। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি শমিত দাস আক্রান্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাঁকে শাবল নিয়ে আক্রমন করে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা বলে অভিযোগ। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান তিনি।

এই ঘটনার খবর পেয়ে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কমিটিতে থাকা বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় সমগ্র ঘটনা স্বরাষ্ট্র দপ্তরে জানান। ঘটনার কথা তিনি জানান রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও। এরপর স্বরাষ্টমন্ত্রক ও দিলীপ ঘোষের নির্দেশে এক প্রতিনিধিদল নিয়ে গতকাল জয় বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল আক্রান্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে যান। তাঁর কথা অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলের এই সফর প্রসঙ্গে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জেলার এসপি-ডিএমকে সাত দিন আগে ইমেলে জানানো হয়েছিল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জয়বাবুর দাবি, এই প্রসঙ্গে পুলিশ আমাদের বলেছিল – ঘটনাস্থালে বাইক নিয়ে যাওয়া যাবে না, বেশি লোক নিয়ে যাওয়া যাবে না। আমরা সব মেনে নিই, কেননা আমরা ওখানে কোনো গন্ডগোল পাকাতে বা অশান্তি সৃষ্টি করতে যাচ্ছিলাম না। আমরা এখানকার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠাতাম। তাছাড়া যেহেতু আমরা গণতান্ত্রিক দল, তাই আক্রান্ত কর্মী-সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনে যদি কোনো সুরাহা করা যায় তার ব্যবস্থা করতাম।

জয় বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কিন্তু ঘনটাস্থলে পৌঁছাতেই স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা রড, চপার, লাঠি নিয়ে আক্রমন করে প্রতিনিধিদলকে। কালো পতাকা দেখানোর পাশাপাশি স্থানীয় কর্মীদের ২ টি গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়, এমনকি আমার নিজের গাড়ির কাঁচও ভেঙে দেওয়া হয়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান, কেননা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা চারখানা বোমা ছোঁড়ে আমাদের উদ্দেশ্যে। এমনকি, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সম্পাদিকা নাজিয়া ইলাহির হাত ধরে টানাটানি করা হয়েছে বা তাঁর গায়ে ‘খারাপভাবে’ হাত দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!