এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জোর করে বিজেপিতে যোগদান করানো হয়েছিল, দাবি করে তৃণমূলে ফিরলেন দিলীপ গড়ের হেভিওয়েট নেতা – জেনে নিন বিস্তারিত

জোর করে বিজেপিতে যোগদান করানো হয়েছিল, দাবি করে তৃণমূলে ফিরলেন দিলীপ গড়ের হেভিওয়েট নেতা – জেনে নিন বিস্তারিত

2019 এর লোকসভা ভোটের পর দলবদলে বিজেপির দিকে ঝোঁক বাড়ে অন্যান্য দলগুলির। সূত্রের খবর, 2019 এর লোকসভা ভোটে প্রত্যাশার অনেক বেশি ভালো ফল করায় বিজেপি দলে এই জোয়ার আসে। কিন্তু তৃণমূল দল থেকে যেসব সদস্য বিজেপিতে যোগদান করেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তাঁরা আবার তৃণমূলে ফিরে যেতে থাকেন। যাদের মধ্যে নবতম সংযোজন হলেন খড়গপুরের 1 নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল নেতা চন্দন রায়।

জানা যাচ্ছে, চন্দন রায় সন্ধ্যেবেলা বিজেপি পার্টি অফিসে কয়েকজন অনুচর সমেত গিয়ে বিজেপি দলে যোগ দেন, দলের পতাকা হাতে তুলে নেন। সেই সময় একটি ভিডিও করা হয় যেটি পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির তরফ থেকে ভাইরাল করে দেওয়া হয়। এবং এরপরেই আসে চমক। রাতের মধ্যেই চন্দন রায় আবার ঘোষণা করেন তাঁর তৃণমূলেই থাকার কথা। তাঁর এই চটজলদি সিদ্ধান্তে হতবাক সবাই।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা চন্দন রায় বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বলেছেন, তাঁর বন্ধুরা পকোড়া খাওয়ার নাম করে তাকে বিজেপি পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিজেপি দলে যোগদান করায়। প্রসঙ্গত, এই ঘটনার বিরুদ্ধে চন্দন রায় লোকাল থানায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তবে বিজেপি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে এক কথায়। তাদের দাবি, উল্টে চন্দন রায় বিজেপি পার্টি অফিসে গিয়ে তৃণমূলের নামে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, তিনি তৃণমূল দলে থেকে কোন কাজ করতে পারছেন না তাই তিনি দল বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ তো চলতেই থাকবে। কিন্তু এই ঘটনায় বিজেপি দল পরবর্তী কি পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে তাকিয়ে সমগ্র রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!