এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ফের তৃণমূল সমেত রাজ্যের অন্যদলের ঘর ভাঙলো বিজেপি, শক্তিবৃদ্ধি গেরুয়া শিবিরের

ফের তৃণমূল সমেত রাজ্যের অন্যদলের ঘর ভাঙলো বিজেপি, শক্তিবৃদ্ধি গেরুয়া শিবিরের

লোকসভা ভোটের দামামা বেজে গেছে। আর তাতো রাজনৈতিক পারদ চড়ছে রাজ্যে। শাসকদল তৃণমূল থেকে শুরু করে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআইএম সবাই একে অপরকে মাত দিতে নিজের নিজের স্ট্রাটেজি নিয়ে ব্যাস্ত। আর সেই স্টাটেজিতে বড় একটা অংশ হলো দল ভাঙানোর খেলা। যা নিয়ে তোলপাড় রাজনৈতিকমহল।

গত কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে যে বিজেপি তাদের শক্তি বৃদ্ধি করছে রাজ্যে ,যেমন শাসকদল থেকে বড় বড় নেতারা দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সৌমিত্র খাঁ, শঙ্কুদেব পান্ডা, অনুপম হাজরা, অর্জুন সিং, ভারতী ঘোষ। বিজেপির দাবি আরো বড় বড় উইকেট পড়তে চলেছে শুধু অপেক্ষা সময়ের।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

তবে শুধু যে তৃণমূলের ঘর থেকেই বিজেপি নিজের শক্তিবৃদ্ধি করছে তা নয়, সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাকেশ সিং, সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন ঘাগেন মুর্মু , আর সেই ধারা এখনো অব্যাহত।
জানা যাচ্ছে এদিন উলুবেড়িতে ফের ধাক্কা খেল তৃণমূল ,কংগ্রেস ও সিপিআইএম। গতকাল অর্থাৎ রবিবার গ্রামীণ হাওড়ার পাঁচলায় বিজেপি-র যুব মোর্চার উদ্যোগে “বিজয় লক্ষ্য ২০১৯” সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি -র সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি দেবজিৎ সরকার, রাজ্য প্রদেশ সম্পাদক শ্যামাপদ মণ্ডল, যুব মোর্চার রাষ্ট্রীয় সম্পাদক সৌরভ শিকদার ও যুব মোর্চার হা‌ওড়া গ্রামীণ জেলার সভাপতি সুরজিৎ মণ্ডল, এছাড়া বিজেপির যুব মোর্চার অন্যান্য নেতা নেত্রীরা,সমেত দলীয় কর্মীরা। আর সেখানেই কংগ্রেস, সিপিআইএম ও তৃণমূল ছেড়ে প্রায় আড়াইশো কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগ দেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন ।

এই নিয়ে সায়ন্তনবাবু জানান যে, তৃণমূলকে হারানোই হলো বিজেপির একমাত্র লক্ষ্য, বিজেপি-র যুব মোর্চা‌ দীর্ঘদিন ধরে চলা তৃণমূলের লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের প্রতিরোধ করতে ও মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে নিজের ভোট নিজেই দিতে পারেন তার জন্য বদ্ধপরিকর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!