এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আমি জেলে যেতে প্রস্তুত,কিন্তু,কথা বলা বন্ধ করব না – দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

আমি জেলে যেতে প্রস্তুত,কিন্তু,কথা বলা বন্ধ করব না – দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

ইউরোপ সফর সেরে রাজ্যে ফিরেই স্বমহিমায় ফের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলিগুড়ির হিন্দিভাষী পরিষদের একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন কাল। সেখানেই কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন নেত্রী। ইসলামপুর ছাত্রহত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ টেনে বললেন,বিজেপি সবসময় বহিরাগত দুষ্কৃতিদের দিয়ে রাজ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে। বিভেদের রাজনীতি শুরু করেছে এ রাজ্যে। উল্লেখ্য,ইসলামপুর কান্ডে বিজেপি,আরএসএসের হাত আছে। এমন কথা বলার জন্য তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা রজু করেছে সঙ্ঘ। সেটা নিয়ে চাপা অস্বস্তি কাজ করলেও,একই অভিযোগ তুলে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দেখে তিনি বলেন, এ রাজ্যে কেউ ভয়ে কথাই বলতে পারে না। কেউ বিজেপিবিরোধী কথা বললেই বিজেপি তাদের পিছনে CBI, ED লাগিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। তবে নেত্রী কাউকে ভয় পাননা, এমনটাই গর্জে উঠে বললেন এদিন। জানান,”আমি বলি তোমরা যা খুশি করো। আমি জেলে যেতে প্রস্তুত। কিন্তু, কথা বলা বন্ধ করব না।” সঙ্গে হিন্দিভাষী মানুষদের উদ্দেশ্যে তাঁর বক্তব্য, এ রাজ্যে হিন্দিভাষী মানুষেরা নিরাপদ। এখানে কোনো এনকাউন্টার হয় না। কেউ কাউকে পিটিয়ে মারে না। দিন কয়েকআগে অ্যাপেলের এক কর্তাকে পিটিয়ে মারা হল। এসব উওরপ্রদেশ,মধ্যপ্রদেশ বা রাজস্থানে হয়। বাংলায় হয় না। বিজেপি শাসিত রাজ্যের উদাহরণ তুলে ধরে সরাসরি গেরুয়াশিবিরেরই সমালোচনা করলেন। এবং রাজ্যের মানুষকে বার্তা দিলেন বিজেপিকে ক্ষমতায় আনলে তার পরিনাম কত জনস্বার্থবিরেধী হতে পারে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বক্তব্যে তিনি এটাও স্পষ্ট করে দেন যে নেত্রী ভোট চাইতে জনসভায় আসেননি। তিনি চান ভালোবেসেই মানুষ ভোট দিক তৃণমূলকে। তিনি সম্মানের সঙ্গে কাজ করেন। তাই ভোট ভিক্ষা চাওয়া তাঁর অভ্যেস নয়। প্রসঙ্গে বিজেপিকে ফের আক্রমণ করে বলেন,বিজেপি সরকার আসলে মেরুকরণের রাজনীতি করছে। ভোট আসলেই কেবল বিভাজনের বার্তা ছড়ায়। হিন্দিভাষী মানুষ হলেই তাঁদেরকে বিজেপিকে ভোট দিতে বলে। এই প্রেক্ষিতেই নেত্রী প্রশ্ন তুলে বলে-ভোটে আবার ভাগাভাগি কিসের? যার যাকে মনে হবে ভোট দেবে।

যুক্তিতে জানান,বাংলায় থাকা হিন্দিভাষীর মানুষগুলো ৩৬৫ টি তৃণমূলের সাথে থাকবে অথচ ভোট এলেই বিজেপি জিতে যাবে। এমনটা হওয়া ঠিক নয়। হিন্দিভাষী মানুষদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন,’বিজেপি কি দিয়েছে আপনাদের?’ জবাবটা তিনিই দিয়ে দেন। নোটবন্দি করে দেশের মানুষকে বিপাকে ফেলা ছাড়া এতোদিনে আর কিছুই বিজেপি করেনি। উল্লেখ্য,তিনি সরাসরি ভোট না চাওয়ার কথা মন্তব্যে বললেও আসলে নেত্রী বিজেপিকে আক্রমণ করে পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দিলেন আসলে এ রাজ্যের প্রতিটি মানুষের ভোট তৃণমূলের তরফে আসা উচিৎ। এভাবে ঘুরিয়ে ভোট চাওয়াটাকে তাঁর একরকম রণনীতি বলেই মনে করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!