এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > জিয়াগঞ্জ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন পুলিশ মহলেই!

জিয়াগঞ্জ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন পুলিশ মহলেই!

একই পরিবারের 3 সদস্য খুনের ঘটনায় জিয়াগঞ্জে এখন শোকের ছায়া। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সারা রাজ্য জুড়ে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু এই নৃশংস খুনের ঘটনায় এক সপ্তাহ পার হতে চললেও এখনও পর্যন্ত সেই খুনের রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি পুলিশ। যার জেরে সেই তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে পুলিশের একাংশের মনের মধ্যেই প্রবল প্রশ্ন চাড়া দিতে শুরু করেছে।

বস্তুত, গত বিজয়া দশমীর দিন জিয়াগঞ্জের লেবুবাজার এলাকায় একটি বাড়ির মধ্যে খুন হন শিক্ষক বন্ধু প্রকাশ পাল, তার সন্তান সম্ভবা স্ত্রী বিউটি পাল এবং তাদের ছয় বছরের ছেলে। আর এই ঘটনার পরই গোটা রাজ্য জুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পুলিশি তদন্তের দাবি চরমে উঠতে শুরু করে।

প্রথমে জেলা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও তার কয়েকদিন পরই সিআইডিকে সেই তদন্তে সহযোগিতা করতে বলা হয়। কিন্তু বিরোধী দল থেকে পুলিশ মহলের একাংশ, প্রথম দিন থেকেই এই তদন্ত ঠিক পথে পরিচালিত হচ্ছে না বলে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

পুলিশ মহলের একাংশের মতে, এত বড় খুনের ঘটনা ঘটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ফরেনসিক টিম নিয়ে আসা, ঘটনাস্থল ঘিরে না রাখার মতো ঘটনা চোখে পড়েছে। কেন তদন্তকারীদের এমন আচরণ! একাংশের দাবি, কোনো বড়সড় খুনের ঘটনা ঘটলে সেখানে পুলিশ কুকুর নিয়ে এসে তদন্তের কিছুটা আভাস মেলে।

কিন্তু এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। আর যদি এই ঘটনাস্থলে পুলিশ কুকুর নিয়ে আসা হত, তাহলে অন্তত অভিযুক্তরা কোন পথ দিয়ে পালিয়েছে তা নির্ণয় করা সম্ভব হত বলে দাবি করছে পুলিশদের একাংশ। অনেকে আবার বলতে শুরু করেছেন, ঘটনা ঘটে যাওয়ার অনেক দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর সেখানে ফরেনসিক নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু এতদিন পর সেই টিম নিয়ে এসে আদৌ কোনো লাভ হবে কি! সত্যিই তো তাই।

এত বড় নৃশংস খুনের ঘটনায় যখন সারা রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হচ্ছে, তখন কেন তদন্তে পুলিশের এত ঘাটতি! কেন তাদের অতি সক্রিয়তা চোখে পড়ছে না! এদিন এই প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ সুপারকে ফোন করলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে যেভাবে জিয়াগঞ্জের এই খুনের ঘটনায় এতদিন বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছিল, এবার পুলিশ মহলের একাংশই পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে যায় কিনা, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!