এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জেলা পরিষদের সদস্যদের সতর্ক করলেন, কারণ জেনে নিন

জেলা পরিষদের সদস্যদের সতর্ক করলেন, কারণ জেনে নিন

Priyo Bandhu Media

গত 2011 সালে রাজ্যে বাম সরকারকে বিদায় জানিয়ে সাধারন মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে প্রতিষ্ঠা করেছিল। আর বাম সরকারকে বিদায় জানানো পেছনে মূল কারণ ছিল দুর্নীতি। তৃণমূল সরকারের আমলে যাতে সেই দুর্নীতি না হয়, তার জন্যই মানুষ সেই মা মাটি মানুষের সরকারকে প্রতিষ্ঠা করেছিল বলে দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর ধীরে ধীরে রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি প্রবেশ করতে শুরু করে। যার ফলস্বরূপ সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে খুব একটা ভালো ফল করেনি শাসকদল। আর এবার জেলা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবিরে এই ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করে দিতে দেখা গেল বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার থেকে নিউটাউনের বিশ্ব বঙ্গ কনভেনশন সেন্টারে পাঁচ দিনব্যাপী জেলা পরিষদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়। এদিন সেই শিবিরের উদ্বোধন করেন সুব্রতবাবু। আর সেখানেই স্বচ্ছতার সঙ্গে সকলকে কাজ করার নিদান দেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন জেলা পরিষদের সদস্যদের উদ্দেশ্য করে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, “এমএলএ, এমপিদের থেকে বেশি কাজ আপনাদের করতে হয়। অনেকগুলো প্রকল্পের কাজ চলছে। সেই সমস্ত প্রকল্প সম্পর্কে আপনাদের জানতে হবে। নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না ওঠে।” আর এরপরই বাংলার গ্রামীণ সড়ক যোজনা, আরআইডিএফ, আনন্দধারা, বাংলার আবাস যোজনা, মিশন নির্মল বাংলা, গ্রামশক্তিকরণ সহ নানা প্রকল্পের খুঁটিনাটি বিষয় জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহ-সভাপতি, কর্মাধক্ষ ও সদস্যদের অবগত করে নেওয়ার পরামর্শ দেন মন্ত্রী।

এদিকে এদিনের এই কর্মসূচিতে লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই বাংলার আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরীর কাজ থমকে থাকলে তা দ্রুত যাতে শুরু করা হয়, তার দাবি জানান জেলা পরিষদের সদস্যরা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে সরলীকরণ করে দুর্নীতি যাতে বন্ধ করা যায়, তার জন্য ক্ষমতায় আসার পরই তৎপর হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু যতদিন গেছে, ততই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা তৃণমূলের অনেক ব্যক্তির মধ্যেই দুর্নীতি প্রবেশ করেছে। যার ফলে ভাবমূর্তি খারাপ হয়েছে রাজ্যের শাসকদলের। কিন্তু এবার লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের পরই তা আঁচ করতে পেরে জেলা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না ওঠে, তার জন্য সকলকে সতর্ক করে দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!