এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > রক্তাক্ত বাংলা! এবার দিকে দিকে প্রাণঘাতী আক্রমণ তৃণমূল কর্মীদের উপর, অভিযুক্ত বিজেপি

রক্তাক্ত বাংলা! এবার দিকে দিকে প্রাণঘাতী আক্রমণ তৃণমূল কর্মীদের উপর, অভিযুক্ত বিজেপি

লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই দিকে দিকে রাজনৈতিক হিংসা এবং হানাহানির ঘটনা ঘটছিল। সম্প্রতি সন্দেশখালিতে 2 বিজেপি কর্মীর মৃত্যু রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন তুলে দিয়েছে। তবে রাজনীতির নরপিপাসুরা যে এত সহজে এই রক্তলিলা থামাবে না, তা বোঝা গেল সোমবার রাতে ব্যারাকপুর মহকুমা ভাটপাড়ায় দুজন এবং বর্ধমানের গলসিতে এক তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনাতে।

জানা গেছে, ভাটপাড়ার বারুইপাড়া এলাকায় দুই তৃণমূল সমর্থককে নৃশংস ভাবে খুন করার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। পাশাপাশি এই ঘটনায় একজনের চোখ উড়ে গিয়েছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে নিহত তৃণমূল কর্মীদের পরিবারের তরফে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এবং ভাটপাড়া পৌরসভার বিজেপির চেয়ারম্যান সৌরভ সিংয়ের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই ঘটনা ঘটল?

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

জানা যায়, গত সোমবার রাতে মহম্মদ হালিম, তার ছেলে পারভেজ, পারভেজ, স্ত্রী রুবি পারভীন এবং প্রতিবেশী মহম্মদ আক্তার বাড়ির সামনে বসেছিলেন। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সময় বিজেপির লোকজন এসে মহম্মদ হালিমকে লক্ষ্য করে বোমা মারায় তার মাথা ফেটে যায়।

তারপর আবার দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ায় ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যেকেই জখম হন এবং সেই মহম্মদ হালিমের মৃত্যু হয়। আর তৃনমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন আগামী 14 জুন এই কাঁচড়াপারায় সভা করতে আসছে, ঠিক তার আগেই ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু তোলপাড় করে তুলল রাজ্য রাজনীতিকে।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নিহত তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে যান উত্তর 24 পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, পূর্ণেন্দু বসু, বিধায়ক নির্মল ঘোষ, তাপস রায় ও মদন মিত্ররা। আর সেখানেই তারা মৃত দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ তুলে দেন।

এদিন এই প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “বিজেপি পরিকল্পিতভাবে এই খুন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী এই দুই পরিবারের দুজনকে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।” অন্যদিকে একই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো যোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ। তুমি শুধু ভাটপাড়াতেই নয়, গলসি 2 ব্লকের সাটিনন্দীতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে এদিন এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

জানা গেছে, নিহত তৃণমূল কর্মীর নাম জয়দেব রায়। যাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছেন অনিল মালিক, মোহন পুইলে, বামাপদ মালিকের মত তৃণমূল কর্মীরা। বর্তমানে আহত ব্যক্তিরা বর্ধমান মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার এই নিহত দলীয় কর্মীকে বর্ধমানে এসে শেষ শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

যেখানে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহকারি সভাধিপতি দেবু টুডু সহ অন্যান্যরা। আর লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাণ যাওয়ায় এখন রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠতে শুরু করল নানা প্রশ্ন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!