এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পঞ্চায়েতে জঙ্গলমহলে ধাক্কার পরে আদিবাসীদের কর্মসংস্থানে বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার

পঞ্চায়েতে জঙ্গলমহলে ধাক্কার পরে আদিবাসীদের কর্মসংস্থানে বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার


2011 সালে রাজ্যে পালাবদলের পর ক্ষমতায় এসেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্যের বর্তমান মা-মাটি- মানুষের সরকার জঙ্গলমহলের মানুষদের জন্য ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছে। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, অন্ন থেকে বাসস্থান জঙ্গলমহলে মানুষের দিকে বাড়তি নজর দিয়ে বারে বারে সেই জেলা সফরও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

2 টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া থেকে শুরু করে সুষ্ঠু রেশনিং ব্যবস্থা দিয়ে একদা বাম আমলে কিছুটা বঞ্চিত এই জঙ্গলমহলের মানুষেরা বর্তমান তৃণমূল সরকারের আমলে অনেকটাই সুবিধা পেয়েছে। কিন্তু এত প্রভূত উন্নয়ন হওয়া সত্বেও বিগত পঞ্চায়েত ভোটে সেই জঙ্গলমহলের সিংহভাগ জেলাগুলিতে শাসকদলের খারাপ ফলাফলে চিন্তার ভাঁজ পরেছে তৃণমূল নেতাদের কপালে।

 

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর শাসকের সেই চিন্তাকে বাড়িয়ে সেই জঙ্গলমহলের অনেক এলাকায় কোথাও দ্বিতীয় স্থানে, আবার কোথাও বা একেবারে প্রথম স্থানে উঠে এসেছে বিরোধী দল বিজেপি। কিন্তু সামনেই যে লোকসভা ভোট। আর সেই লোকসভা ভোটে রাজ্যে 42 এ 42 টি আসনই নিজেদের দখলে রাখার কথা ভাবছে ঘাসফুল শিবির। আর তাই জঙ্গলমহলের ভোটব্যাঙ্ক পুনরুদ্ধারে সেই জঙ্গলমহলের আদিবাসীদের মনে নতুন করে জায়গা করে নিতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের মা মাটি মানুষের সরকার।

সূত্রের খবর, এবার জঙ্গলমহলের আদিবাসীদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে থেকেই স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে “আদিবাসী সিভিক ভলান্টিয়ার” নিয়োগ করার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। জানা গেছে, জঙ্গলমহলের বিভিন্ন জেলার নিরাপত্তা মজবুত করতে রাজ্যের অন্যান্য সিভিক ভলেন্টিয়ারদের মতই কাজে লাগানো হবে এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে। আর এর জন্য মোট খরচ হবে 35 লক্ষ 70 হাজার টাকা।

একাংশের মতে, বিগত পঞ্চায়েত ভোটে জঙ্গলমহল এলাকায় শাসকদলের খারাপ ফলাফলের পেছনে আদিবাসী সমাজের কিছু মানুষের ক্ষোভই উঠে এসেছে। যেখানে দেখা গেছে শাসক দলের একাংশ নেতা এমনকি সরকারের এখানকার কর্তারা সঠিকভাবে আদিবাসীদের অভাব-অভিযোগ মেটাতে অতটা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেননি। আর তাই এবার লোকসভা ভোটের আগে সেই আদিবাসীদের উন্নয়নে দরাজহস্ত হয়ে সেই আদিবাসী সমাজের ছেলেমেয়েদেরই সিভিক ভলান্টিয়ার রুপে নিয়োগ করতে চায় নবান্ন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!