এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে কলকাতা থেকে চন্দননগর হেলিকপ্টারে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী!

জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে কলকাতা থেকে চন্দননগর হেলিকপ্টারে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী!



 

নির্বাচনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা হেলিকপ্টার ব্যবহার করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার ব্যতিক্রম নয়। এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত তড়িঘড়ি ছুটতে নির্বাচনের সময় এই আকাশযানের উপরই ভরসা রাখতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু এবার চন্দননগরের ঐতিহ্যমন্ডিত জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনেও সেই হেলিকপ্টারকেই বেছে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এদিন কপ্টার করে কুঠির মাঠে এসে নামেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেখান থেকেই তিনি 50 বছরের বোড় কালীতলার পূজামন্ডপে গিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে পুরোহিতের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষন কথা বলে বক্তব্য রাখতে শুরু করেন। এদিনের এই অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা তৃণমূল সভাপতি দিলীপ যাদব, চুঁচুড়া পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান অমিত রায়, জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও, চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবীর, মুখ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন সহ অন্যান্যরা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন নিজের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে একদিকে বাংলার বারো মাসে তেরো পার্বণের কথা তুলে ধরা, আর অন্যদিকে পরোক্ষে বিজেপির উদ্দেশ্যে খোঁচা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে দিয়ে গান গাইয়ে বক্তব্য রাখতে উঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আগে বাংলায় বারো মাসে তেরো পার্বণ ছিল। এখন 365 দিনে 366 টি উৎসব বলতে হবে। আমরা এই বাংলায় প্রত্যেকটা পূজা করি। আমার বাড়িতেও পূজা হয়। সেই সঙ্গে আমরা রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, স্বামী বিবেকানন্দের বাণীও মানি, সর্বধর্ম সমন্বয়ের বাণীও মানি।”

অর্থাৎ এদিন সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলে বিজেপির উদ্দেশ্যেও পরোক্ষে খোঁচা দেওয়ার চেষ্টা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এদিকে এদিন চন্দননগরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপের উদ্বোধন করে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “জগদ্ধাত্রী পুজোতে এখানে লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ আসেন। চন্দননগরের আলোকসজ্জা অসাধারণ। আপনাদের শোভাযাত্রা থেকেই আমরা কার্নিভালের প্রেরণা পেয়েছি। অতি দ্রুত সেটাকে বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার কাজ শেষ করা হবে। আরও ভালো করে এবারের শোভাযাত্রা করুন। শৃঙ্খলা রেখে কাজকর্ম করুন, যাতে তা আরও দৃষ্টিনন্দন হয়।” সব মিলিয়ে কপ্টার করে চন্দননগরের পুজো উদ্বোধন এসে সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে পুজো মণ্ডপগুলিকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!