এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ইসলামপুর কান্ডের জেরে বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে স্কুল-শিক্ষক নিয়োগের নিয়মে?

ইসলামপুর কান্ডের জেরে বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে স্কুল-শিক্ষক নিয়োগের নিয়মে?

ইসলামপুরের দাড়িভিট স্কুলের ছাত্রহত্যাকান্ডের সূত্র ধরে সামনে এসেছে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক গলদ। এর বিরুদ্ধে রীতিমতো প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষকসমাজ, চাকরি প্রার্থীরা। স্কুল সার্ভিস কমিশন এমনিতেই দুর্নীতির অভিযোগে আইন জটিলতায় ভুক্তভোগী। তার উপর ইসলামপুর কান্ড সেই জটিলতাকে আরো একটু উস্কে দিল। বছর দুয়েক আগে লিখিত পরীক্ষা হয়ে গেলেও এখনো নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোপুরি সম্পন্ন করতে পারল না এসএসসি। শূন্যপদ এবং সফল পরীক্ষার্থীদের অনুপাতের হিসাব নিয়ে যথেষ্ঠ সংশয় আছে পরীক্ষার্থীদের মনে। এর জন্য কমিশনের বিরুদ্ধে এখনো দফায় দফায় আন্দোলন করে যাচ্ছে হবু শিক্ষকেরা। তাঁদের অসন্তোষের আগুনকে দমাতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে একটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইসলামপুর ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না হয় তার জন্য নবম এবং দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে শূন্যপদ নিয়ে স্কুল গুলিকে সঠিক তথ্য দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল। এই নিদান জেলা পরিদর্শকের তরফে কোলকাতা সহ একাধিক জেলার স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চিঠির মাধ্যমে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগের জব্য প্রার্থীদের প্যানেল সুপারিশ করে দিয়েছে এসএসসি। এরপর পর্ষদ থেকেই হবু শিক্ষকদের দেওয়া হবে নিয়োগপত্র। যে শূন্য পদের সুপারিশ করা হয়েছিল তার সঙ্গে প্রকৃত শূন্য পদের ফারাক কতোটা সেটাই তদারক করতে বলা হয়েছে জেলা পরিদর্শককে। তারপর জেলা পরিদর্শক সেগুলি আজকের মধ্যে ই-মেল মারফত কমিশনকে জানাবে। তার সঙ্গে একটা রিপোর্টও জমা দিতে বলা হয়েছে জেলা পরিদর্শকের অফিসেও।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

শিক্ষক নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের তৎপরতাই প্রমাণ করছে যে ইসলামপুর কান্ডের পর থেকেই রাজ্যের শিক্ষাদপ্তর কতোটা চাপে রয়েছে। দাড়িভিট স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল তাই নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের আগেই বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে রাজ্যসরকার। কারণ শিক্ষক নিয়োগকে নিয়ে আর ছাত্রমৃত্যুর মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চায় না তাঁরা। আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রত্যেক স্কুলকে শিক্ষক সংখ্যা,বরাদ্দ আসন এবং শূন্যপদের তালিকা জমা দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে এবার ধীর গতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে উদ্যোগী শিক্ষাদপ্তর। কারণ রাজ্যসরকার চায় না,লোকসভা ভোটের আগে বিরোধীরা আরো একটা হাতিয়ার পেয়ে যাক শাসকদলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজ্যসরকারের সদর্থক প্রয়াস দেখে আশায় বুক বাঁধছে হবু শিক্ষকরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!