এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাংলা বিজয়ে মোদী-শাহের ভরসার মুখ হতে চলেছেন কি মুকুল রায়ই? নতুন পদক্ষেপে জল্পনা চরমে

বাংলা বিজয়ে মোদী-শাহের ভরসার মুখ হতে চলেছেন কি মুকুল রায়ই? নতুন পদক্ষেপে জল্পনা চরমে

মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেও বিজেপি নিজেদের ধারা মেনে দীর্ঘদিন মুকুলবাবুকে দলের একজন সাধারণ কর্মী করেই রেখেছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড দলে এলেও পদ মেলে নি – কেননা বিজেপির বক্তব্য ছিল পরিষ্কার। ভারতীয় জনতা পার্টি একটি সর্বভারতীয় দল – এখানে এলেই ‘ততকাল’ পদ মেলে না – আগে নিজেকে প্রমান করতে হয়!

আর বিজেপিতে যোগদানের পর মুকুলবাবুর প্রথম অগ্নিপরীক্ষা ছিল – বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন। নির্বাচন কমিটির প্রধান হিসাবে মুকুলবাবু নিজের ক্যারিশমা দেখিয়ে দেন সেখানে। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলায় প্রথমবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ধামাকাদার পারফরম্যান্স করে বিজেপি। বামফ্রন্ট-কংগ্রেসকে বহু পিছনে ফেলে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসাবে উঠে আসে গেরুয়া শিবির। আর তারই ফলশ্রুতি হিসাবে – একদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বাংলা থেকে ২২ টি লোকসভা আসন বিজয়ের লক্ষ্য রাখেন।

পাশাপাশিই, মুকুলবাবুকে করা হয় ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটির মেম্বার। এর কিছুদিনের মধ্যেই, বাংলায় বিজেপির মিশন-২২ সফলরূপে প্রণয়ন করতে মুকুল রায়কে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলার নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়কের মত গুরুত্ত্বপূর্ন পদ দেওয়া হয়। আর দায়িত্ব পেয়েই মুকুল রায় তাঁর চেনা পুরোনো ছন্দে শুরু করেন অন্য দল ভাঙিয়ে নিজের দলকে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া। ফলে, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তাঁর হাত ধরে অভিনেত্রী মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় ও বিষ্ণুপুরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বিজেপিতে যোগদান করেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এখানেই শেষ নয় – রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা মুকুল রায়ের হাত ধরে বোলপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বহিস্কৃত সাংসদ অনুপম হাজরাও এবার বিজেপির পথে। তাছাড়াও অন্তত ১০ জন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ, বিধায়ক ও নেতা বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির বাংলা বিজয়ের লক্ষ্যে মুকুল রায়ের উপরেই পূর্ন আস্থা রাখতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ? আজকের পরে এই জল্পনা আকাশ ছুঁল।

কেননা দিল্লির রামলীলা ময়দানে গতকাল ও আজ ছিল বিজেপির জাতীয় অধিবেশন। সেখানে সারা দেশের সমস্ত রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব হাজির ছিল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের নীল-নকশা কিভাবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সাজাতে চলেছেন সেই বার্তা নিতে। আর এই সম্মেলনে বাংলা থেকে বক্তা হিসাবে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বা জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা নন – ডাক পেলেন মুকুল রায়। স্বাভাবিকভাবেই নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ঝড় তুললেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

বাংলায় গণতন্ত্র নেই, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কিভাবে মানুষ মারা গেছেন – সেইসব তুলে ধরার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বাংলায় গেরুয়া ঝড় তোলার কথাও জানান তিনি। কিন্তু, তাঁর বক্তব্যের থেকেও এই সমাবেশে বক্তা হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা হওয়া নিয়েই আপাতত আলোচনা চলছে রাজধানীতে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য বিজেপির নেতাদের থেকেও কি অমিত শাহ্দের বেশি ভরসার মুখ এখন মুকুল রায়? নাকি, তৃণমূল কংগ্রেসের যে সকল নেতা এখনও দোলাচলে আছেন বিজেপিতে গেলে যোগ্য সম্মান পাবেন কিনা – তাঁদের বার্তা দেওয়ার জন্যই মুকুলবাবুকে এই সম্মান দেয় হল। উত্তরের অপেক্ষায় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!