এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > GST আদায় হাসি ফোটাচ্ছে কেন্দ্রের! আর্থিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে?

GST আদায় হাসি ফোটাচ্ছে কেন্দ্রের! আর্থিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে?

দেশের অর্থনীতির বেহাল দশা বেশ কিছুদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে। যা নিয়ে অর্থনীতির আঙিনায় রীতিমতন চর্চা শুরু হয়েছে। ভারতবর্ষের অর্থনীতির আকাশে কালো মেঘ অনেক আগেই দেখা দিয়েছে। যার অস্তিত্ব এখনো রয়ে গেছে। অর্থনৈতিক মন্দার ফলে দেশের ছোট, বড়, মাঝারি শিল্প গুলোর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। দেশের দুর্বল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে নিত্যনতুন পরিকল্পনা করে যাচ্ছেন মোদি সরকার। প্রবল আর্থিক মন্দাকে চাঙ্গা করার জন্য সরকারের নানান পদক্ষেপে খরচ বেড়ে যাচ্ছিল বলে সূত্রের খবর। আর্থিক মন্দার হাত থেকে বাঁচতে কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে স্বীকার করে নিয়েছিল রাজস্বের ক্ষতি। অর্থাৎ জিএসটি সংগ্রহে যে আয় হয়, তাতেও ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু এবার উল্লেখযোগ্যভাবে জিএসটি আবার হাসি ফুটিয়েছে কেন্দ্রের আর্থিক মহলে। তবে কি আর্থিক মন্দারর
কালোমেঘ ভারতবর্ষের আকাশ থেকে সরে যাচ্ছে ?

কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক মন্দার হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে জিএসটি আদায়ের হার কমিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, নভেম্বরের পণ্য ও পরিষেবা বাবদ কর আদায় হয়েছে এক লক্ষ 3 হাজার কোটি টাকা। গত তিন মাসে জিএসটি এক লক্ষের গণ্ডিই পেরোতে পারেনি। তিন মাস পর জিএসটি এত টাকার কর আদায় করতে পেরেছে। গত বছরের অক্টোবরের তুলনায় এ বছরের অক্টোবরের জিএসটির হার প্রায় 2 হাজার 357 কোটি টাকা কম ছিল। তবে গত সেপ্টেম্বরে ও অক্টোবরের আর্থিক বৃদ্ধি নিম্নমুখী থাকার পর নভেম্বরে জিএসটি আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে। অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে নভেম্বরের জিএসটি আদায়ের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে 1 লক্ষ 3 হাজার 492 কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় 6 শতাংশ জিএসটি বৃদ্ধি পেয়েছে। সূত্রের খবর, 2017 সালের পর থেকে এখনও পর্যন্ত মোট আটবার জিএসটির পরিমাণ এক লক্ষ কোটি টাকা ছাড়ালো বলে জানা গেছে।

অর্থনৈতিক মন্দার জেরে ভোগ্যপণ্য থেকে বেশ কিছুটা দূরে থাকতে শুরু করে সাধারণ মানুষ। যার ফলে গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জিএসটি আদায়ের হার ক্রমাগত নিম্নমুখী হতে থাকে। তবে অক্টোবরে উৎসবের মরসুমে কিছুটা জিএসটি আদায় বাড়ে এবং নভেম্বরে জিএসটির হার 1 লক্ষ কোটি টাকা ছাড়ালো। এর ফলে ভারতবর্ষের আর্থিক মন্দার ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা সুরাহা হবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। নভেম্বরে মোট জি এস টির মধ্যে কেন্দ্রীয় জিএসটি আদায় হয়েছে 19 হাজার 592 কোটি টাকা। অন্যদিকে রাজ্য থেকে আদায় হয়েছে 27 হাজার 144 কোটি জিএসটি। আইজিএসটি 49 হাজার 28 কোটির পাশাপাশি পণ্য আমদানি থেকে 869 কোটি সহ মোট সেস আদায় হয়েছে 7 হাজার 727 কোটি টাকার।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এখনো পর্যন্ত নভেম্বর মাসে জিএসটি আদায়ের হার অষ্টম সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। তবে সবথেকে বেশি জিএসটি আদায় হয়েছে এ বছরের এপ্রিল মাসে। মোট 1 লক্ষ 13 হাজার কোটি টাকা। এর আগে মার্চে আদায় হয়েছিল এক লক্ষ ছয় হাজার কোটি টাকার জিএসটি। যা ছিল সর্বোচ্চ দ্বিতীয় স্থানে এবং নভেম্বরে জিএসটি আদায় এক লক্ষ 3 হাজার 492 কোটি হয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছে। ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতির বাজারে জিএসটি আদায়ের সর্বোচ্চ হার বেড়ে যাওয়ায় তা কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে মনে করছে অর্থনৈতিক মহল।

তবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার যদি সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে ভারতীয় অর্থনীতিকে সঠিক দিশা দেখাতে পারে, তাহলে সময় লাগলেও আর্থিক মন্দার মত পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কষ্টকর হবে না। তবে এখন সবথেকে চিন্তার কারণ, বাজারের চাহিদা। এখনো পর্যন্ত অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বাজারে যোগান থাকলেও মানুষের চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। এ বিষয় নিয়ে সরকারের চিন্তা ভাবনা করা উচিত বলেই শিল্পমহল আগেই দাবি করেছে। আপাতত সম্পূর্ণ পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।

আপনার মতামত জানান -
ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!