এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ফেডারেল ফ্রন্ট ভাঙতে ‘অতীতের কথা’ তুলে হেভিওয়েট নেত্রীকে ‘বড় অফার’ বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

ফেডারেল ফ্রন্ট ভাঙতে ‘অতীতের কথা’ তুলে হেভিওয়েট নেত্রীকে ‘বড় অফার’ বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

আর মাস দুয়েকের মধ্যেই দেশের লোকসভা নির্বাচন – যেখানে ঠিক হয়ে যাবে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য দেশের শাসনভার থাকবে কার বা কাদের হাতে। একদিকে, যখন সেই নির্বাচনে জিতে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসতে আত্মবিশ্বাসী বর্তমান শাসকদল বিজেপি – অন্যদিকে, তখন বিজেপির ঘুম উড়িয়ে দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে গাঁটছড়া বাঁধার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও জাতীয় দলগুলি।

আর তারই অন্যতম উদ্যোগ হিসাবে ভারতের বৃহত্তম রাজ্যে জোট বেঁধেছেন সেখানকার ‘বুয়া-ভাতিজা’ নামে মায়াবতী ও অখিলেশ যাদব। বহুজন সমাজবাদী পার্টি ও সমাজবাদী পার্টি কিছুদিন আগেই ঘোষণা করেছে উত্তরপ্রদেশের ৮০ টি আসনের মধ্যে ৩৮ টি করে মোট ৭৬ টি আসনে লড়বে দুদল। বাকি ৪ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেসকে ছাড়া হবে আমেঠি ও রায়বেরিলি এবং বাকি ২ টি আসন দেওয়া হবে অন্যান্য ছোট দলগুলিকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এই জোট ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা উত্তরপ্রদেশে চাপে পরে গেল বিজেপি। কেননা, বিগত উপনির্বাচনগুলিতেই দেখা গেছে – এই জোটের কাছে হার মানতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীদের। আর তাই ২০১৪-এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের ৮০ টির মধ্যে ৭৩ টি আসনই এনডিএ জিতলেও – আসন্ন ২০১৯-এর নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বেশ কঠিন লড়াই হতে চলেছে বলে মনে করছেন সকলে। যদিও, অমিত শাহ থেকে রাজনাথ সিং – সকলেরই দাবি এই জোটের কোনো প্রভাব পড়বে না আগামী নির্বাচনে।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আটাওয়ালের বক্তব্য, সপা নয় মায়াবতীর উচিত বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধা উচিত। বিজেপির সমর্থনে মায়াবতী তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। মায়াবতী যদি সত্যি দলিতদের জন্য কাজ করতে চান তাহলে তাঁর বিজেপির সঙ্গে জোটে যাওয়া উচিত, বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে হাত মেলানো উচিত। ২০১৪ সালে কোনও আসনে জয়লাভ করতে না পেরে বিএসপি জোটের পথে এগিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মোদীকে হারাতে কংগ্রেসের ওপর ভরসা করতে না পেরে হাত মিলিয়েছে এই দুই দল। তবে এই সব জোটে বিজেপির কোনও সমস্যা হবে না – কারণ এটা সুবিধাবাদীর জোট। তবে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরেই জল্পনা শুরু হয়েছে – তাহলে কি জোট ভাঙতে আসরে নেমে পড়ল বিজেপি? আর তাই অতীতের বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কের কথা তুলে হেভিওয়েট নেত্রীকে ঘুরিয়ে ‘অফার’ দেওয়া শুরু হল এনডিএ জোটে শামিল হওয়ার? উত্তর বোধহয় ভবিষ্যৎই দেবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!